ডাক্তার যখন সন্ত্রাসী!

ডাক্তার সন্ত্রাসীর ভূমিকা নিয়েছে। হ্যা! এমন অভিযোগই এসেছে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে। রবিবার বিকালে হাসপাতালটির ভেতরে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিস্মিত হয়ে শতশত মানুষ। লোকজন বলছিল, এত ডাক্তার নয় সন্ত্রাসী।

হাসপাতালটির অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কাজ করছিল সাংবাদিক শহীদ আহম্মদ সানী। হাসপাতালে কোন অনিয়ম ও দুর্নীতির নেই বলেই ডা. সাখাওয়াত হোসেন উত্তেজিত হয়ে হামলা করে সাংবাদিকের উপর। জোর করে ক্যামেরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চলায়। নার্স, রোগী আর অন্যান্য স্টাফরা বিস্মিত হয়ে পরে। এই সাংবাদিকের ক্যামেরাটিও ভেঙ্গে ফেলে। এসময় হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফ এবং রোগীর স্বজনরা এগিয়ে এসে সানীকে রক্ষা করার চেষ্টা চালায়। পরে সানীকে টেনে হেছড়ে তার রোগী দেখার কক্ষে নিয়ে দরজা আটকে দিয়ে আবার মারধর চালায়। এই সময় উপস্থিত কয়েকজন নার্স সানিকে মেরে ফেলা হচ্ছে বলে চিৎকার দিতে থাকে। সানিকে বাঁচাতে অন্য ডাক্তাররা ছুটে এসে সজোরে দরজা ধাক্কা দেয় এবং দরাজা ভাঙ্গার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে দরজা খুলে। পরে সানীকে উদ্ধার করা হয়। প্রায় আধা ঘন্টা ব্যাপী ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন সন্ত্রাসী স্টাইলে এই হামলা উপস্থিত সকলকে বিস্মিত করে। এই সময় ১৫/২০জন নারী-পূরুষ তাকে বিভিন্ন ভাবে নিবৃত করার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। কাউকে তোয়াক্কা না কলে সবাইকে পাশ কাটিয়ে বার বার সাংবাদিকের উপর হামলা চালায়। এই পরিস্থিতি দেখে সবাই হতবিহ্বল হয়ে যায়। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সানী জানিয়েছেন, এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এব্যাপারে মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন বলেন, এব্যাপারে তিনি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযুক্ত ডাঃ সাখাওয়াত হোসেনকে ফোন করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

জনকন্ঠ

Comments are closed.