টঙ্গীবাড়ীতে মন্দিরের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ

জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শিলিমপুর গ্রামের রাধা গবিন্দ্র মন্দিরের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভূমিদস্যু তামজেদ মিয়া গং কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ওই মন্দিরের সরকারী অর্পিত সম্পত্তির উপরে এ বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। এর আগে গত রবিবার বিকালে ওই মন্দিরের একটি ঘর ভেঙ্গে ফেলে তামজিদ মিয়া। ওই ঘটনায় পুলিশ তাকে আটক করলেও পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শিলিমপুর মৌজার আরএস ২০৭ খতিয়ানের ১৬৩নং দাগের ৪৫ শতাংশ অর্পিত সম্পত্তির উপরে শিলিমপুর রাধা গবিন্দ্র মন্দিরটি অবস্থিত। ওই এলাকার ধনাঢ্য ব্যাক্তি ললিত মোহন পাল ১৩১৮ বাংলা সনে ওই স্থানে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ১৯৭২ সালের দিকে পার্শ্ববর্তী চাষিরী গ্রামের মৃত বন্দে আলি মিয়ার ছেলে খুনের মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি তামজিদ মিয়া ওই মন্দিরের পার্শ্বে সরকারী জমি দখল করে বসবাস করতে শুরু করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার দৃষ্টি পরে মন্দিরের সম্পত্তির উপরে। বিগত কয়েক বছর আগে সে ওই মন্দিরের প্রধান ফটকটি ভেঙ্গে টিন ও কাঠ দিয়ে ঘর নির্মাণ করে। বর্তমানে মন্দিরের পশ্চিম পাশের সরকারী জমির মেহেগণী গাছ ১লক্ষ ৯০ হাজার টাকা বিক্রি করে সে ওই স্থানে অবৈধ স্থাপণা নির্মাণ করছেন।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বহু পুরাতন মূল মন্দিরের ভবনের ফটকের অর্ধেক অংশ ভেঙ্গে টিন ও কাঠ দিয়ে ঘর তুলছেন তামজিদ মিয়া। মন্দিরের পশ্চিম পাশে পুরোদমে চলছে পাকা ভবন নির্মাণ কাজ।

তামজিদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আপনারা যা পারেন করেন গা। এই সম্পত্তি আমার দখলে আছে, আমি বিল্ডিং নির্মাণ করছি।

এ ব্যাপারে আউটশাহী ইউনিয়নের তহসিলদার শারপিন ঢালী জানান, অর্পিত সম্পত্তিতে পাকা ভবন নির্মাণ করার নিয়ম নেই। এ ভবন নির্মাণের ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাপ্রেস

Comments are closed.