টঙ্গীবাড়ীতে মন্দিরের ঘর ভাংচুর ঘটনায় অভিযোগ করায় অভিযোগকারীর ছেলের উপর হামলা

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শিলিমপুর গ্রামের রাধা গবিন্দ্র মন্দির কম্পাউন্টের ঘর ভাংচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগের করা নতুন হামলা হয়েছে। অভিযোগকারী পরিমল পালের ছেলে সুমন পালের উপর এই হামলা হয়। রবিবার রাতে শিলিমপুর মসজিদের সামনে এই হামলা চালায় মন্দিরের ঘর ভাংচুরকারী তামজেদ মিয়া গং। মন্দিরের ঘর ভাংচুর এর ঘটনায় ওই মন্দির রক্ষনাবেক্ষনকারী পরিমল পাল বাদী হয়ে রবিবার বিকালে টঙ্গীবাড়ী থানায় অভিযোগে করলে পুলিশ তামজেদ মিয়াকে রাতে আটক করলেও ওই এলাকার কতিপয় গ্রাম্য মাদবর ও নেতৃত্বস্থাণীয় লোকের মধ্যস্থতায় মন্দিরের ঘর তুলে দেওয়ার শর্তে তাকে ছেড়ে দিলেও সুচতুর তামজেদ মিয়া ওই মন্দিরের ঘর তুলে দেয়নি।

পরে সোমবার পরিমল পাল নিজেই শ্রমিক নিয়ে ওই স্থানে মন্দিরের ঘরটি পূর্ণরায় উত্তোলন করেছে। এর আগে রবিবার সকালে ওই মন্দিরে হামলা চালিয়ে টিন ও কাঠ দিয়ে নির্মিত একটি ঘর ভেঙ্গে ফেলে ভূমিদশূ তামজেদ মিয়া গং। জানাগেছে, ওই গ্রামের ভূমিদশ্যূ তামজেদ মিয়া (৫০) দির্ঘদিন যাবৎ ওই মন্দিরের ৫৬শতাংশ অর্পিত সম্পত্তি দখল করার পায়তারা করে আসছিলো। রবিবার সকালে তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে ওই মন্দিরের সম্পত্তির মধ্যে থাকা টিন ও কাঠ দিয়ে নির্মিত একটি ঘর ভেঙ্গে ফেলে বাড়ির লোকজনকে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ওই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলে।

সরেজমিনে রবিবার রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় ওই মন্দিরের কাঠ ও টিন দিয়ে নির্মিত ঘরটির টিন ও কাঠ মন্দিরের সামনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কোন রকম নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে ওই মন্দিরের অর্পিত সম্পত্তি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন তামজেদ মিয়া।

এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদিকদের মারতে তেড়ে এসে বলে আপনারা যা পারেন করেন গা। পরিমল পাল জানান, এই সম্পত্তিটি দখল করার জন্য দির্ঘদিন যাবৎ তামজেদ পায়তারা করে আসছে। এর আগেও মন্দিরের জমিটি দখলের জন্য আমার উপর কয়েক দফা হামলা করে তামজেদ গংরা।

টঙ্গীবাড়ী থানা ওসি আলমগীর হোসাইন জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তামজেদ মিয়াকে আটক করলে ওই এলাকার জনগণের প্রতিনিধিসহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ঘরটি পূণরায় উত্তোলন করে দেওয়ার দায়িত্ব নিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

জনকন্ঠ

Comments are closed.