অর্থ আত্মসাতের মামলায় ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

মুন্সীগঞ্জে ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে আদালত। মঙ্গলবার ধার্য তারিখে অনুপস্থিত থেকে সময় আবেদন করে প্রধান আসামী শহিদুল ইসলাম বারাকাতী। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর বিচারক মো. জসিমউদ্দিন তা নামঞ্জুর এই পরোয়ানা জারী করে। টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজারে ব্রাঞ্চ খুলে ১শ’ গ্রাহকের কাছ হতে ৪৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক নারী মামলাটি করেছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান মুকুল জানান, গত ১২ জুলাই মামলাটি চার্জের জন্য ধার্য্য ছিল। ওই দিন বারকাতী হাজির হয়ে মামলা হতে ডিসচার্জের আবেদন করেন। আদালত তাকে বাদীর সাথে আপোষ হয়ে পূণরায় আদালতে হাজির হতে বলেন। কিন্তু তিনি আপোষ করেননি। টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ বাজারের ম্যাক্সিম গ্রুপের ব্রাঞ্চটি ২০১৩ সালে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে যায়।

এ ঘটনায় লৌহজং উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের হালিমা আক্তার বাদী হয়ে ৯জনকে আসামীকে গত ২৭ শে এপ্রিল ২০১৩ইং তারিখে ১ শত জন গ্রাহকের পক্ষে মুন্সীগঞ্জ আদালতে সি.আর মামলা নং ১১৬/১৩ দায়ের করলে দির্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ২৫ এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ আদালতে হাজির হলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন। পরে সে এই মামলায় জামিনে গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসছিল।

অন্যদিকে বিবাদী পক্ষে আইনজীবী অজয় চক্রবর্তী ও গৌতম চন্দ্র দাস জানান, তার মক্কেল বারাকাতী ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান নন। প্রকৃতভাবে চেয়ারম্যান হচ্ছেন মো. গোলাম মোস্তফা রানা। মূল চেয়ারম্যান রানা নেপথ্যে থেকে স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহকারী ও আত্মীয় হালিমা আক্তারকে দিয়ে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. গোলাম মোস্তফা রানা।

জনকন্ঠ

Comments are closed.