বেহাল মুন্সীগঞ্জে প্রবেশ মুখের প্রধান সড়ক

মুন্সীগঞ্জ শহরে প্রবেশের প্রধান সড়কটি সংস্কার কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন উপজেলাসহ সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত যাত্রীদের এখন মুক্তারপুর ব্রিজের ঢাল থেকে পুরাতন ফেরিঘাট হয়ে নদীর পাড়ের সড়ক ও জনপদের রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মুন্সীগঞ্জের প্রবেশের মুখ মুক্তার পুর ব্রিজের শেষ মাথায় মুন্সীগঞ্জের প্রবেশ মুখের রাস্তাটিতে বড় বড় গর্ত ও খানা খন্দে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রবেশ মুখের রাস্তাটির বেহাল দশা হলেও যেন দেখার কেউ নাই। একটু বৃষ্টি হলেই গর্তগুলোতে পানি জমে ছোট ছোট পুকুরের মতো আকার ধারন করে।

এমনিতে ভাঙ্গা রাস্তার বড় বড় গর্ত তার উপর রয়েছে রাস্তার দু’পাশে অবৈধভভাবে গড়ে উঠা সিএনজি, নসিমন-করিমন, বডবডি গাড়ীর স্টান্ড এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। উত্তর পাশে রয়েছে টংগীবাড়ী, বালিগাও ও সিরাজদিখান যাওয়ার সিএনজি স্টেশন। আর মুন্সীগঞ্জের ঢুকার প্রবেশ মুখে রয়েছে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও ইজি-বাইকের স্টান্ড। রাস্তাটিকে প্রবেশ মুখে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্ট্যান্ড রাস্তাটির ৫০ শতাংশ দখল নিয়েছে অবৈধ স্টান্ড বানিয়ে। রাস্তাটির মাঝখান দিয়ে ঠিক প্রবেশ মুখে ছোট বড় ৪-৫ টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটির প্রবেশ মুখটি ছোটখাটো একটি পুকুরের আকার ধারন করে। বর্ষার মৌসুম তাই ঘন ঘন বৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন। আর একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাঁদাজলে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ঝুঁকি নিয়েই গাড়ী চালকরা যাত্রী পরিবণ করছেন প্রতিনিয়ত। অনেক সময় ছোট খাটো গাড়ীগুলো গর্তে পড়ে উল্টে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত এ স্থানটিতে যানজট লেগেই থাকে। অনেক সময় রাস্তাটি ক্লিয়ার ও যানজট মুক্ত রাখতে ট্রাফিক পুলিশদেরও হিমশিম খেতে দেখা যায়। বৃষ্টি হলে পথ যাত্রীরা হাটতের পারছেনা অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্টান্ড ও কাঁদা পানির কারনে। রাস্তাটি সংস্কার না করার কারনে মানুষ প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগে পড়ছেন।

ইজি-বাইকের যাত্রী অজিফা বেগম বলেন, মুন্সীগঞ্জে প্রবেশের প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। দ্বিতীয় বিকল্প এ রাস্তাটি দিয়ে মুন্সীগঞ্জে প্রবেশ মুখে রয়েছে বড় বড় গর্ত। আমরা ঝাঁকুনি খেয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছি। মুক্তারপুর বাস স্টান্ডে নামলেই কাঁদাজলে হাটতে হয়। সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের কাছে আমাদের দাবি রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে যেন গাড়ী চলাচল উপযোগী করে তুলে।

সিএনজি চালক করিম বলেন, সব রাস্তা ভাল এ রাস্তাটি বড় বড় গর্তের কারনে যানবাহন ধীর গতিতে রাস্তা পার হতে হয়। এতে করে মুক্তারপুর থেকে সিপাহীপাড়াগামী যাত্রীদের প্রতিদিন যানজটে পড়তে হয়। এ বিষয়ে রোড এন্ড হাইওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাপ্রেস

Comments are closed.