তিন দিনেও মামলা হয়নি: গজারিয়ায় গোলাগুলিতে নিহত ২

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চরবলাকি এলাকায় মাটি ভরাট নিয়ে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে দুই ভাই নিহত ও দুজন গুম হওয়ার ঘটনায় গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত মামলা হয়নি।

ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ গতকাল চরবলাকি থেকে দীন ইসলাম (৩০) নামের আরও একজনকে আটক করেছে। এর আগে মন্টু মিয়া (৩৫) নামের একজনকে বাহরাইনে আটক করা হয়। তিনি বাহরাইনে পালিয়ে গেলে সেখানে গজারিয়ার লোকজন তাঁকে ধরে বাহরাইন পুলিশের হাতে তুলে দেন।

সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কায়সার রিজভী কোরায়শী বলেন, মন্টু মিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে। দীন ইসলাম ও মন্টুকে আটকের আগে পুলিশ আরও ছয়জনকে আটক করেছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় আটজনকে আটক করা হলো।

এদিকে ওই ঘটনায় নিখোঁজ আওলাদ হোসেন ও জুয়েল ব্যাপারীকে তিন দিনেও খুঁজে বের করতে না পারায় তাঁদের পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাঁদের লাশ গুম করা হয়েছে দাবি করে আওলাদের বড় ভাই ইউপি সদস্য গোলাপ ব্যাপারী বলেন, ঘটনার সময় তাঁর ভাই চরবলাকিতে ছিলেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকেসহ আইযুব, আওলাদ ও জুয়েলকে একই ট্রলারে তোলা হয়। মা জাহানারা ও বাবা মজনু ব্যাপারী ট্রলার থেকে জোর করে গোলাপ ও আইয়ুবকে নামিয়ে নিতে পারলেও জুয়েল, আওলাদসহ অন্যদের নামিয়ে নিতে পারেনি। ট্রলারে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তাঁদের সন্ধান নেই।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, যে ট্রলারে করে হতাহত ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁর চালক গোলাম হোসেনকে আটক করতে না পারলেও তাঁর স্ত্রী হাওয়া নূরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গত শুক্রবার আটক করেছে।

প্রথম আলো

Comments are closed.