আদালত থেকে ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান চম্পট

মুন্সীগঞ্জ আদালত হতে মঙ্গলবার দুপুরে চম্পট দিয়েছেন ম্যক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান। মুন্সীগঞ্জ জেলার ১ শ’ গ্রাহকের কাছ থেকে ৪৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বারাকাতী আদালতে আসেন।

এর আগে মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ এর বিচারক মোঃ জসিমউদ্দিন এর আদালতে হাজির হয়ে মামলা হতে ডিসচার্জ এর আবেদন করলে আদালত তাকে বাদীর সাথে আপোষ হয়ে পূণরায় আদালতে হাজির হতে বলেন। কিন্তু মামলার আসামী শহিদুল ইসলাম বারাকাতী বাদীর সাথে যোগাযোগ না করে আদালত হতে আত্মগোপণ করেন। পরে বিষয়টি বাদী আদালতকে অবহিত করলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীকে ৭দিনের মধ্যে আপোষ মিমাংশার আদেশ দিয়ে পূণরায় তারিখ ধার্য্য করেন বলে আদালত সুত্রে জানাগেছে।

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজারের ম্যাক্সিম গ্রুপের ব্রাঞ্চটি ২০১৩ সালে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনায় লৌহজং উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের হালিমা আক্তার বাদী হয়ে ৯জনকে আসামীকরে গত ২৭ শে এপ্রিল ২০১৩ইং তারিখে ১ শত জন গ্রাহকের পক্ষে মুন্সীগঞ্জ আদালতে সি.আর মামলা নং ১১৬/১৩ দায়ের করলে দির্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ২৫শে এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ আদালতে হাজির হলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন।

এরপর জামিনে গিয়ে সে ওই মামলায় হাজিরা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার ওই মামলার চার্জ গঠনের দিন ধায্য থাকায় সে ওই মামলা হতে ডিসচার্জ চাইলে আদালত তাকে বাদীর সাথে আপোষ করতে বললে সে বাদীর সাথে যোগাযোগ না করে আতœগোপণ করেন। ইসলামী চিন্তাবীদ হিসাবে দাবীকারী ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশে ম্যাক্সিম গ্রুপের ব্রাঞ্চ খুলে ডিপিএস এর নামে গ্রাহকের শত শত কোটি টাকা আতœসাৎতের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ও থানায় একাধিক মামলায় ওয়ারেন্ট ইস্যু রয়েছে বলে জানাগেছে। এছাড়া শহিদুল ইসলাম বারকাতী জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত একাধিক জঙ্গী সংগঠনের অর্থ যোগানদাতা বলে নিভর্রযোগ্য সূত্রে জানাগেছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.