মিরকাদিম ধলেশ্বরী নদীর মোহনায় দূর্ধষ ডাকাতি

এম.এম.রহমান: মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরীর মোহনায় মিরকাদিম লঞ্চঘাট সংলগ্ন তালতলা- ডহুরি নদীর সংযোগ স্থলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় এ দূর্ধষ ডাকাতির শিকার হন মাদারীপুরের ১৪ জন ড্রাম ব্যবসায়ী। স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্থদের সূত্রে জানাযায়, ঢাকার মানিকগঞ্জে ১৪ জন ড্রাম ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করতেন।

ব্যবসায়ীরা ঈদের বন্ধ পেয়ে পরিবার পরিজনদের নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ট্রলার যোগে নদী পথে মানিকগঞ্জ থেকে মাদারীপুরের উদ্যেশ্যে রওয়ানা করেন। সন্ধার পর তাদের ট্রলারটি মিরকাদিম লঞ্চঘাট এলাকার তালতলা- ডহুরী নদীর সংযোগ স্থলে পৌছালে ট্রলার যোগে একদল ডাকাত তাদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ডাকাত দল অস্ত্র দেখিয়ে তাদের ট্রলারটি নদীর উত্তর তীরে নিয়ে যায়।

সেখানকার তীরের আশে পাশে কোন জনবসতি ছিলনা ছিল বড় বড় ঘাসফুলের মতো জঙ্গল। ব্যবসায়ীদের অস্ত্রের মুখে তীরে নিয়ে ডাকাত দল তাদেরকে ব্যাপক মারধর করে নগদ ৬ লক্ষ টাকা, ১২ টি মোবাইল ফোন ঈদের বাজার করা পন্য ও পোষাক সামগ্রী লুটে নেয়। এ সময় বাঁধা দিলে শুশান্ত বালা, আরিফ, নজরুল, সোহেল, কাদিরকে পিটিয়ে আহত করে ডাকাত দল। ডাকাত দল নগদ অর্থসহ প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। ব্যবসায়ীদের সকলের বাড়ী মাদারীপুর জেলার দশার থানার বিভিন্ন গ্রামে।

ব্যবসায়ী শুশান্ত বালা জানান, আমরা সব সময় এ নদী দিয়ে তালতলা – ডহুরী নদী দিয়ে বালিগাঁও হয়ে মাওয়া যাই। সেখান থেকে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে মাদারীপুরে যাতায়াত করি। আজ হঠাৎ মিরকাদিম বন্দরের কাছাকাছি পৌছা মাত্র ট্রলার যোগে আসা একদল ডাকাত আমাদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নদীর দক্ষিন তীরে ঘাস খেতের পাশে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আমাদের ব্যাপক মারধর করে নগদ অর্থ, মোবাইল ও ঈদের সমস্ত কেনাকাটা নিয়ে যায়।

এ সময় সকলকে মারধর করে আহত করে ডাকাত দল। এবার আর আমাদের ঈদের আনন্দ হবেনা। আমাদের সব কিছু নিয়ে গেছে ডাকাতরা। এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইউনুচ আলী ভূইয়া বলেন, ডাকাতির ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

চমক নিউজ