চলছে সকাল, সন্ধ্যা ও গভীর রাতের রাজনৈতিক খেলা : সিরাজদিখান

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে চলছে সকাল সন্ধ্যা ও গভীর রাতের রাজনৈকি খেলা ।এ রাজণীতির মূলে রয়েছে মুন্সীগঞ্জ ১ আসনের সাংসদ সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপ কমিটির সহ-সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবীর।

একই কর্মী সকালে সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে তেল যতটুকু আছে দিয়ে সন্ধ্যা বেলায় সাংসদের কলাবাগানের অফিসে হাজিরা দিয়ে গভীর রাতে যাচ্ছেন গোলাম সারোয়ার কবীরের অফিসে। এ তালিকায় বেশীর ভাগই সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ এবং ২/১জন ইউপি চেয়ারম্যানও রয়েছেন।

সুকুমার রঞ্জন ঘোষ পরপর ২ বারের সংসদ সদস্য। তিনি একজন সৎ ও উন্নয়নের রুপকার হিসেবে এলাকায় পরিচিত । তাহার বিরুদ্ধে একটি মহল শুরু থেকেই ষড়যন্ত্র করে আসতে থাকলেও ১৭ এপ্রিল ছাত্রলীগ নেতা আসিফ হত্যায় প্রায় তাকে জড়িয়েই ফেলেছিল। কিন্ত তার সততাই তাকে এ যাত্রায় ও বাঁচিয়ে দেন।

এক্ষেত্রে প্রতিবাদে উত্তাল হয় সিরাজদিখান। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, ১৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মধ্যে ১১ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সাবেক চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ ‍ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ। হাজার হাজার লোকের সমাগমে নিন্দায় ফেটে পড়ে সিরাজদিখান উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। তিনি উন্নয়ন করলেও বিশ্বস্ত লোকদের কথা বেশী প্রধান্য দেয়ায় অনেক সময় ক্ষতিকারকে পরিনত হয়।

অপরদিকে রয়েছে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি এক সময় সিরাজদিখানের মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন কিন্ত এখন অনেকটা ভাটা পড়েছে। তার বিশ্বস্ত কর্মীরা ধীরে ধীরে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তার এক সময়ের বিশ্বস্ত সহচররা মূল্যায়ন না পেয়ে ধীরে ধীরে সাংসদের দিকে ঝুকে পড়ছে। তবে সাংসদের লোকজন হাতে গোনা কয়েকজন বাদে কেউ ফেরত আসছেন না।

এদিকে রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপ কমিটির সহ-সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবীর। তিনি কর্মীদের যথেষ্ঠ মূল্যায়ন করলেও বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেননি। কেননা মাঠ পর্যায়ে তার তেমন একটা জনপ্রিয়তা নেই। তবে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলছে। তার মাধ্যমে কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অনেক টাকার মালিক হয়েছেন। গোলাম সারোয়ার কবীরের যে কর্মী বাহিণী তারা এলাকায় তেমন কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । তারা বেশীরভাগই উদীয়মান ছাত্রলীগ। তবে বর্তমান উপজেলা ছাত্রলীগে গোলাম সারোয়ার কবীরের লোকজন রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় এমন একজন নেতাকে জনগন চায় যে নেতার জনপ্রিয়তা থাকবে, জনগণ ভালবাসবে, সৎ ও নিষ্ঠাবান হবে, রাজনৈতিক মামলা মোকদ্দমায় কম জড়াবে অর্থাৎ বিরোধীদলকে হয়রানি করবে না, উন্নয়নের রুপকার হবে. সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে প্রাধান্য দিবে না।

ক্রাইম ভিশন

Comments are closed.