একমাত্র নারী প্রকৌশলী ইশরাত: পদ্মা সেতু প্রকল্প

বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মাসেতুর মূল পাইলিং ও নদীশাসন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে দেশের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সেতুর মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের উজ্জ্বল অংশীদার হচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের মধ্যেই ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে আশা করছে সরকার।

অনেক কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন দেশি-বিদেশি অসংখ্য কর্মী। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ২০ বছর বয়সী একজন বাঙালি নারী প্রকৌশলীও রয়েছেন। নাম ইশরাত জাহান। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ভর্তি হন দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। পাশ করে বের হওয়ার কিছুদিন পরই যোগ দেন পদ্মা সেতুর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনে (এমবিইসি)।

পদ্মার পাড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার লম্বা কারখানায় সেতুর পাইলিং পাইপ তৈরির কাজ হচ্ছে। চীন থেকে আনা বিশাল বিশাল ইস্পাতের পাতগুলোকে এক হাজার ৫০০ টন ক্ষমতার বেন্ডিং মেশিনে মুড়িয়ে সিলিন্ডার বানানো হয়। ছোট সিলিন্ডারগুলোকে আগুনের তাপে জোড়া লাগিয়ে পাইলিং পাইপ বানানো হয় এই কারখানায়। এখানে প্রতিটি পাইলিং পাইপের মেজারমেন্ট করেন ইশরাত। তিনিই এখানে একমাত্র নারী প্রকৌশলী।

জাগনরিয়া

Comments are closed.