টঙ্গীবাড়ীতে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের যৌথ তান্ডবে গ্রামবাসী বাড়ি ছাড়া!

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাঁচনখোলা গ্রামে নিয়ম বহিভূর্তভাবে লৌহজং থানা পুলিশ ও সাথে সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করে ২ ঘন্টাব্যাপী তান্ডব চালিয়ে ওই গ্রামের ২৫টি ঘর ভাংচুর এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ওই গ্রামের আলমগীর দাড়িয়া (৩০), আলি বেপারী (৪০), আজিম (৩৫) এবং পারুল বেগম (৩০) সহ প্রায় ১০জন গ্রামবাসী পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের যৌথ আক্রমনে আহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে পারুলী বেগম বাদী হয়ে সোমবার রাতে টঙ্গীবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এর আগে সোমবার দুপুর ১২টায় লৌহজং থানা পুলিশ নিয়ম বহিভূর্তভাবে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাচনখোলা গ্রামে কতিপয় সন্ত্রাসীসহ প্রবেশ করে। প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপী উক্ত সন্ত্রাসী ও পুলিশ ওই গ্রামের ২৫টি ঘরের দরজা জানালা ভাংচুরসহ এলাকার মানুষের মনে তাসের সৃষ্টি করে। এর পর হতে ওই গ্রামের মানুষ বাড়িঘর ছাড়া রয়েছেন।

ওই গ্রামবাসী জানান, পাচনখোল গ্রামের মদন সেখের ছেলে ভূমিদশ্যূ লাল মিয়া (৬৫), সিরাজ (৬২), নজরুল (৬০) দির্ঘদিন যাবৎ ওই গ্রামের কাদির বেপারী, মোয়াজ্জেম সর্দার, সামাদ খলিফা, শাহজাহান সেখ, আজিজ বেপারী, ওসমান বেপারী, সিদ্দিক বেপারীসহ অনেকের প্রায় ৩০ একর জমি জোর করে দখল করে রেখেছে এবং আরো অন্যান্য গ্রামবাসীর জমি দখল করার পায়তারা করছে।

এ ব্যাপারে গ্রামবাসী বাধা দেওয়ায় ওই ৩ ভূমিদশ্যূসহ ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী লৌহজং থানা পুলিশ নিয়ে সোমবার দুপুর ১২টা হতে ২ ঘন্টা ব্যাপি ওই গ্রামে পুলিশ ও সন্ত্রাসীরা যৌথ তান্ডব চালায়।

এ ব্যাপরে লৌহজং থানা ওসি মোল্লা জাকির হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানায়, একটি মামলা তদন্ত করার জন্য পুলিশ ওই গ্রামে গিয়েছিলো। নিয়ম বহিঃভূর্ত প্রবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে জানান, আপনার কিছু জানার থাকলে থানায় আসেন।

এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানা ওসি আলমগীর হোসাইন জানান, টঙ্গীবাড়ী থানা পুলিশের কোন সদস্য না নিয়ে এভাবে প্রবেশ করাটা নিয়ম বহিঃভূত। পরে আমি গ্রামবাসীর মুখে তান্ডবের বিষয়ে জানতে পেরেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্রাইম ভিশন

Comments are closed.