সিরাজদিখানে কালবৈশাখী ঝড়ে নিহত ২ আহত ৫

মুন্সীগঞ্জে রবিবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে দুই জন নিহত ও পাঁচ জন আহত হয়। এছাড়া বিভিন্ন সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পুল ও গাছ উপড়ে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। কাঁচা ঘরবাড়ি উপড়ে যায়। ফসলের ক্ষতি হয়। তারপরও দীর্ঘ খরার পর এই বৃষ্টি সকলের মধ্যে প্রশান্তি এনে দেয়। তবে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। জেলা শহর মুন্সীগঞ্জে ১৭ ঘন্টা বিদ্যুত বন্ধ ছিল। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্থানে এখনও বিদি্যুত সংযোগ মেরামতের কাজ চলছে।

সিরাজদিখান উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে মো. শহিদ (৪২) ঝড়াতঙ্কে স্ট্রোক করে মারা যায় ও সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর শ্যামল ছায়া প্রকল্পের কাছে দেয়াল ধসে নারায়ণগঞ্জ জেলার কানাই নগরের রিঙ্কু মিয়া (৩২) ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এছাড়া বালুচর দিয়ে নারায়নগঞ্জে তাদের নিজ বাড়িতে যাওযার পথে দেয়াল চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়ে মিডফোর্টে ভর্তি হয়েছে নারায়নগঞ্জের কানাই নগরের রতন বারি (৩১), ফতুল্লা থানার ডিগ্রিরচর গ্রামের বাতেন (৩০) ও ডিগ্রিরচরের হুমায়ুন কবির (৩৩)।

এছাড়া সিরাজদিখান উপজেলার নাটেশ্বর গ্রামে গাছ ভেঙ্গে তাইউদ্দিনের ছেলে আবু তাহেরের (৫০) মাথা ফেটে গুরুতর আহত হয়। কাকালদি গ্রামে গাছের ডাল পড়ে শাহজাহানের স্ত্রী ফজিলা (৫০) গুরুতর আহত হয়ে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া গ্রামের আব্দুর রহমান সিরাজীর কলার বাগানে ঝড়ের তান্ডবে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। সিরাজদিখান উপজেলার চর বয়রাগাদী গ্রামে ১ টি, আবির পাড়া গ্রামে ১টি, হাজি গাঁও গ্রামে ১টি ও বেতকায় ২ বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে পড়েছে।

সিরাজদিখান উপজেলার পল্লি বিদ্যুতের ডিজিএম দেব কুমার মালো জানান, সিরাজদিখান উপজেলার ৬০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতের সংযোগ দেয়া হয়ে গেছে। নতুন করে ঝড় না হলে রাতের মধ্যে ৯০ শতাংশ গ্রামে বিদ্যুতের সংযোগ চালু হয়ে যাবে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.