দীঘিরপাড়ে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

বিএপির চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ৫
সুমিত সরকার সুমন: মুন্সীগঞ্জ টঙ্গিবাড়ির দীঘিরপাড় ইউনিয়নে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আহত হয়েছে ৫ জন। আজ বুধবার বেলা ১১ টায় দিঘিরপাড় বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিঘির পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্বাচনকে ঘিরে দুই পক্ষের লোকজনদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। কথা বলার জন্য বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা অলিউল্লা খান ঘটনাস্থলে আসেন। সেখানে আ’লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আরিফ হালদারও উপস্থিত ছিলেন। কথাবার্তার এক পর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। দেশি অস্ত্রও বহন করেছিল সমর্থকরা।

ঘটনায় বিএনপি প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা অলিউল্লা খান মাথায় আঘাত পান এবং গুরুতর আহত হন। তার সাথে আরো আহত হন বেশ কয়েকজন। আহতদের মধ্যে জনি (৩০), হিমেল (২৮), ফরিদ (২৮) সহ আরো কয়েকজন। তাদেরকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনার জন্য দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করছেন।

আহত প্রার্থী অলিউল্লা খান জানান, আমার উপর বিনা উষ্কানীতে পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা চালানো হয়েছে। চাপাতি দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করেছ আরিফ, আমরা মামলা করব।

হাসপাতালে আহত মুক্তিযোদ্ধাকে হাসপাতালে দেখতে যান জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আনিসুজ্জামান আনিস।
অপরদিকে আ’লীগ প্রার্থী আরিফ হালদার জানান, তাদের কারনেই এই ঘটনা। তারাই আমার ও আমার কর্মীদের উপর হামলা করেছে। আমার উপর আনা অভিযোগ মিথ্যা।

টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. মালেক জানান, নির্বাচনী প্রচার কাজের সময় দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তর্ক হয়। খবর পেয়ে আমি পুলিশ নিয়ে উপস্থিত হই। বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সেসময় দুই পক্ষই ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্তন করে।

ওসি আরো জানান, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব সদস্যরাও এখানে উপস্থিত আছে। পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য আগামী ৭ মে ৪র্থ দফায় টঙ্গিবাড়িতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিডিলাইভ

Comments are closed.