অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান জেলহাজতে

মুন্সীগঞ্জ জেলার ১শ গ্রাহকের কাছ থেকে ৪৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বারাকাতীকে জেল হাজতে প্রেরণের নিদের্শ দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ এর বিচারক মোঃ জসিমউদ্দিন এর আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ বাজারের ম্যাক্রিম গ্রুপের ব্রাঞ্চটি ২০১৩ সালে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে যায়।

এ ঘটনায় লৌহজং উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের হালিমা আক্তার বাদী হয়ে ৯জনকে আসামীকরে ২০১৩ সালের ২৭ এপ্রিল ১শ জন গ্রাহকের পক্ষে মুন্সীগঞ্জ আদালতে সি.আর মামলা (নং: ১১৬/১৩) দায়ের করেন। এর পর থেকে দির্ঘদিন পলাতক থাকার পর সোমবার মুন্সীগঞ্জ আদালতে হাজির হলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণ করে। মুন্সীগঞ্জ আদালতে সাংবাদিকরা শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর ছবি তুলতে গেলে তার পালিত সন্ত্রাসীরা বিক্রমপুর চিত্র পত্রিকার সাংবাদিক শ্রীকান্ত দাসের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ইসলামী চিন্তাবীদ হিসাবে দাবীকারী ম্যাক্রিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর বিরুদ্ধে সারাদেশে ম্যাক্সিম গ্রুপের ব্রাঞ্চ খুলে ডিপিএস এর নামে গ্রাহকের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ও থানায় একাধিক মামলায় ওয়ারেন্ট ইস্যু রয়েছে বলে জানাগেছে। এছাড়া শহিদুল ইসলাম বারকাতী জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত একাধিক জঙ্গী সংগঠনের অর্থ যোগানদাতা বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানিয়েছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.