অপহৃত শিশু বায়েজীদ উদ্ধারে স্বস্থি

মুন্সীগঞ্জে অপহৃত শিশু উদ্ধারের পর পরিবারের মধ্যে স্বস্থি ফিরেছে। অপহরণের চার ঘণ্টা পর র‌্যাপ-পুলিশের যৌথ অভিযানে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র বায়েজীদকে (৭) নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের ২নং রেল গেট এলাকায় ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় সুরাইয়া বেগম (২৮) নামে অপহরণকারী চক্রের এক নারী সদস্য নগদ ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকাসহ আটক করা হয়। এর পূর্বে সোমবার বেলা ১২টার দিকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয় বলে টঙ্গীবাড়ি থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন জানান, সোমবার দুপুর বারোটার দিকে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী থানার রান্ধুনীবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র বায়েজীদকে অপহরণ করে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ ঘনটা বায়েজিদের মা বিলকিস বেগম টঙ্গীবাড়ি থানা পুলিশকে জানালে অপহৃতকে উদ্ধারে পুলিশ মাঠে নামে। একই সাথে বিলকিস বিষয়টি র‌্যাব-১১ কেও জানায়। পরে র‌্যাব পুলিশ যৌথ অভিযানে বিকেল চারটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়নগঞ্জ নগরীর ২ নং রেল গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে অপহৃত বায়েজীদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ সময় সুরাইয়া বেগম নামে অপহরণের ঘটনায় জড়িত অপহরণকারী চক্রের এক নারী সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য বায়েজিদের মা তাকে নিয়ে টঙ্গীবাড়ির রান্ধুনীবাড়ি গ্রামে বসবাস করতেন।

ওসি আলমগীর আরো জানান, শিশুটির বাবা মকবুল হোসেন পৃথকভাবে নারায়ণগঞ্জ শহরে বসবাস করেন। নানান জনের নিকট থেকে ধার দেনায় তিনি জর্জরিত ছিলেন। অপহরনকারীও মকবুলের নিকট অনেক টাকা পাবেন। পাওয়া টাকা আদায় করতেই টঙ্গীবাড়ি থেকে মকবুলের ছেলে শিশু বায়েজিদকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে আটককৃত মহিলা সুমায়াইয়া বেগম পুলিশকে জানিয়েছে। এ ব্যাপরে টঙ্গীবাড়ি থানায় মামলা হয়েছে। আসামীকে মুন্সীগঞ্জ আদালতে চালান দেয়া হয়েছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.