সড়ক দুঘটনায় মারা যাওয়া শিশুর তড়িঘড়ি করে দাফন

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত শিশু তাসফিয়া আক্তারকে (৪) চিকিৎসা সেবা নিতে বাধা দেয়ায় ৩ ঘন্টা মৃত্যূর সাথে সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যূ। মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘিরপাড় চরাঞ্চলের বাহেরপাড়া গুচ্ছ গ্রামে এর আগে বিকেল ৫টার দিকে টেম্পুর ধাক্কায় গুরুতর আহত ওই শিশু চিকিৎসা সেবা নিতে গেলে ঘাতক ড্রাইভার মামলায় পড়তে পারে এই ভয়ে টেম্পুর ড্রাইভার লিটনের লোকজন শিশুটিকে হাসপাতালে নিতে দেয়নি। পরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তড়িঘড়ি করে ওই শিশুর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় বাড়ির পাশের রাস্তায় খেলা করতে গিয়ে টেম্পুর আঘাতে রাস্তার পাশে ছিটকে পরে গুরুতর আহত হয় উপজেলার বাহেরপাড়া গুচ্ছ গ্রামের আব্দুল সালামের ৪ বছরের মেয়ে তাসফিয়া। রাজারবাড়ির চর নতুনবাজার হতে দিঘিরপাড় বাজারের উদ্দেশে ছেড়ে আসা টেম্পু তাসফিয়াকে সাজোরে ধাক্কা দিলে সে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে ওই টেম্পু চালক লিটন তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে তাসফিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দিয়ে এলাকায় অবরুদ্ধ করে রাখে। প্রায় ৩ ঘন্টা মৃত্যূর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে রাত ৮টার দিকে তার মৃত্যূ হয়।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, নিহত তাসফিয়ার বাবা আবদুল ছালামের নিজ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় পূর্বধলা উপজেলায়। সে এখানে গুচ্ছগ্রামে একটি ঘর পেয়ে বসবাস করে আসছিলো। এখানে তার নিকটাত্মীয়-স্বজন না থাকায় ড্রাইভার লিটন মামলার ভয়ে পরিবারকে অবরুদ্ধ করে নিহত শিশুটিকে চিকিৎসা নিতে দেয়নি। এ ব্যাপরে টঙ্গীবাড়ী থানা এসআই ফিরোজ আলম মোল্লা জানান, আমরা লাশ উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেলে নিহতের পিতা আমাদের লাশ দেয়নি এবং কোন অভিযোগও করেনি। কোন অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা হয়নি।

জনকন্ঠ

Comments are closed.