ইমামপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

গজারিয়া উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা বিলকিস এর হস্তক্ষেপে ইমামপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙা গ্রামের এবং বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের দুটি স্কুল পড়ুয়া মেয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।

গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের মাথাভাঙা গ্রামের বাল্যবিয়ে দেয়ার চেষ্টার অপরাধে শুক্রবার চারজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছেন।আদালত ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, অপ্রাপ্ত বয়সী স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে বাল্য বিয়ে দিতে চাওয়ার অপরাধে কনের বাবা জসিম ব্যাপারী, বর আবু হানিফ, ঘটক হারুণ মিয়াজী ও মাথাভাঙ্গা মসজিদের ইমাম হাফিজুর রহমান প্রতি জনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন গজারিয়া উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মাহবুবা বিলকিস।

অন্যদিকে বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ূয়া অপ্রাপ্ত বয়সী মেয়েকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টার অপরাধে বাবা আলী আহম্মদকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পপতিবার রাতে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামে।

আদালত ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চৌদ্দকাহনিয়া গ্রামের আলী আহম্মদ তার কন্যা ইতিমণিকে(১৪) একই গ্রামের ছন্দু মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার সাথে বাল্য বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে গতকাল বৃহস্পপতিবার রাত সাড়ে নয়টায় গজারিয়া উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মেয়ের বাবাকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

আদালত সুত্রে জানা যায়, আলী আহম্মদ নিজের হাতে তৈরী ভুয়া জন্ম সনদ ও ভবেরচর বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে সনদ তৈরী করে বিয়ের আয়োজন করেছিল।

গজারিয়া আলোড়ন 24

Comments are closed.