সিরাজদিখানে ছাত্র লীগের পাল্টাপাল্টি প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

সিরাজদিখানে উপজেলা ছাত্রলীগ পাল্টাপাল্টি ৬৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করেছে। নতুন এবং পুরোনো কমিটি পৃথক পৃথকভাবে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে। এতে এক পক্ষে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ও অপর পক্ষে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন আহমেদ। এ নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে উপজেলা সদরে রসুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অফিসে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈকত মাহমুদের সভাপতিত্বে কেক কেটে এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। পরে একটি মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলটি উপজেলা মোড় থেকে গোয়াল বাড়ী মোড়ে এসে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহরাব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ চোকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন প্রমুখ ।

অপরদিকে ছাত্রলীগের অন্য গ্রুপ উপজেলার বিক্রমপুর কে.বি ডিগ্রী কলেজে পাল্টা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করে। এতে কেক কাটা, আনন্দ মিছিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহরাব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মো. ফজলুল হক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মতিন হাওলাদার, যুবলীগের আহবায়ক রাকিবুল হাসান রাকিবসহ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

সাবেক সভাপতি হয়ে উপজেলা ছাত্র লীগের ব্যানারে কিভাবে অনুষ্ঠান করছেন জানতে চাইলে জহিরুল ইসলাম নিজেকে উপজেলা ছাত্র লীগের বর্তমান সভাপতি দাবী করে বলেন, যেহেতু আমার কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনার কোন চিঠি আমি পাইনি তাই আমার কমিটিই বৈধ কমিটি। সেই কারণেই আমি ছাত্রলীগের ব্যানের অনুষ্ঠান করছি।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিরাজদিখান উপজেলা বতর্মান ছাত্র লীগের সভাপতি সৈকত মাহমুদ। গত মাস পূর্বে জেলা নতুন কমিটিসহ সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কটিটিও ঘোষনা করে কেন্দ্রীয় ছাত্র লীগ। তাই সৈকত মাহমুদের কমিটিই বৈধ। এবং প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের জন্য তাদেরকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জহিরুল জেলা ছাত্র লীগের কোন প্রকার অনুমোদন না নিয়ে এ অনুষ্ঠান করে ছাত্র লীগের মধ্যে বিভেদের চেষ্ঠা করছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.