চালতিপাড়ায় গ্রেফতার ৫ ডাকাতের পরিচয় জানাল পুলিশ

শেখ মো. রতন: ঢাকা-মাওয়া সড়কের পাশে নিমতলার চালতিপাড়া নামক স্থানে রোববার ডাকাত-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে গ্রেফতার পাঁচ ডাকাতের পরিচয় দিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. সামসুজ্জামান।

আটক আন্তঃজেলা ডাকাত সদস্যরা হলেন- শরীয়তপুর জেলার গোসাইর হাট থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের আনছার খানের ছেলে দুলাল খান (৪০), ঢাকা জেলার কামরাঙ্গীরচরের চান মিয়ার ছেলে দীপু মিয়া (৩০), ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার কাওড়াপাড়া গ্রামের জৈনুদ্দিনের ছেলে হারুন বেপারী সুমন (৪০), ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার গহের নামা গ্রামের মৃত হোসেন তালুকদারের ছেলে মঈন তালুকদার (৩৪) ও গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর থানার গোপ্তেরগাতি গ্রামের কবির শেখের ছেলে শামীম শেখ (২৫)।

সংঘর্ষ চলাকালে আহতরা হলেন- সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. সামসুজ্জামান, সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) জিল্লুর রহমান, এসআই হানিফ সরকার, এএসআই আমিনুর ইসলাম, কনস্টেবল জিহাদ ও সুব্রতসহ পুলিশের ছয় সদস্য আহত হন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে জনতার সহযোগিতায় পুলিশ পাঁচ ডাকাতকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র রাম দা, চাপাতি ও ছোরা উদ্ধার করা হয়।

রোববার গভীররাতে সহকারী পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান স্থানীয় সাংবাদিকদের গ্রেফতার ডাকাতদের নাম-পরিচয় না দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে জানান, তদন্তের স্বার্থে ডাকাত সদস্যের নাম ও পরিচয় গোপন রাখা হয়েছিল।

সাংবাদিকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে সকল তথ্য দেন সিরাজদিখান সহকারী পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান।

ঢাকা-মাওয়া সড়কের পাশে নিমতলার চালতিপাড়া নামক স্থানে রোববার ভোর রাতে ডাকাত-পুলিশ সংঘর্ষ হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ অভিযান চালালে এ সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ১৭ ডাকাতের মধ্যে ১২ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

পালিয়ে ডাকাতদের গ্রেফতারে চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার জানিয়েছেন।

রাইজিংবিডি

Comments are closed.