শীর্ষসন্ত্রাসী পিচ্চি সেন্টু ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেন্টু বেপারী ওরফে পিচ্চি সেন্টু (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন।

উপজেলার কাঠাদিয়া ঈদগাহ এলাকায় বুধবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সেন্টু উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামের মৃত জয়নাল বেপারীর ছেলে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- টঙ্গীবাড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন, পুলিশ সদস্য মিজানুর রহমান ও দেলোয়ার হোসেন। আহতদের মুন্সীগঞ্জ জেলারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, সন্ত্রাসী পিচ্চি সেন্টুকে রাত ২টার দিকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ৩টার দিকে কাঠাদিয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ওত পেতে থাকা তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে এ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তবে পিচ্চি সেন্টু গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তার পাশে ক্ষেতে পড়ে থাকে। পরে তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই জসিম উদ্দিন আরও জানান, ঘটনার পর ওই স্থান থেকে দুই রাউন্ড গুলিভর্তি একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল ও দুটি রামদা উদ্ধার করা করা হয়।

ভোরেরকাগজ
============

মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

মঈনউদ্দিন সুমন: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেন্টু বেপারী ওরফে পিচ্চি সেন্টু (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার কাঠাদিয়া ঈদগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেন্টুর বাড়ি উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে। তিনি প্রয়াত জয়নাল বেপারীর ছেলে।

পুলিশের দাবি, সেন্টুর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাঁরা হলেন টঙ্গীবাড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন, কনস্টেবল মিজানুর রহমান ও দেলোয়ার হোসেন। তাঁদের মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, একটি চায়নিজ কুড়াল, দুটি রামদা উদ্ধার করা হয় বলেও দাবি পুলিশের।

টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইন জানান, রাতে পিচ্চি সেন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য কাঠাদিয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ওই সময় সেখানে ওত পেতে থাকা তাঁর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশের সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিট গোলাগুলি চলে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তবে পিচ্চি সেন্টু গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তার পাশে ক্ষেতে পড়ে থাকেন। পরে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য সেন্টুর লাশ মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

এনটিভি
====

টঙ্গিবাড়ীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে কাঠাদিয়া ঈদগাঁ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেন্টু ওরফে পিচ্চি সেন্টু (৩৫) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পিচ্চি সেন্টু টঙ্গিবাড়ীর সোনারং গ্রামের মৃত জয়নাল বেপারীর ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জসিমউদ্দিন, কনস্টেবল মিজান ও দেলোয়ার আহত হয়েছেন। আহত তিন পুলিশ সদস্যকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া বন্দুকযুদ্ধে নিহত সন্ত্রাসী পিচ্চি সেন্টুর মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে।

টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ৬টি অস্ত্র মামলার আসামি সেন্টু ওরফে পিচ্চি সেন্টুকে বুধবার দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদে মজুদ থাকা অস্ত্রের সন্ধান দেয় সেন্টু। রাতে সেন্টুকে নিয়ে উপজেলার কাঠাদিয়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কাঠাদিয়া ঈদগাঁ এলাকায় পৌঁছলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সেন্টুর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় সেন্টু। এছাড়া সন্ত্রাসীদের হামলায় এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল, দু’টি রামদা ও দু’টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

ইত্তেফাক
======

টঙ্গিবাড়ীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্ত্রাসী পিচ্চি সেন্টু নিহত

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার কাঠাদিয়া ঈদগাঁ এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেন্টু ওরফে পিচ্চি সেন্টু (৩৫) নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জসিমউদ্দিন, কনস্টেবল মিজান ও দেলোয়ার আহত হয়েছেন। আহত তিন পুলিশ সদস্যকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল, দু’টি রামদা ও দু’টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া বন্দুকযুদ্ধে নিহত সন্ত্রাসী পিচ্চি সেন্টুর মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে।

নিহত পিচ্চি সেন্টু টঙ্গিবাড়ীর সোনারং গ্রামের মৃত জয়নাল বেপারীর ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ৬টি অস্ত্র মামলার আসামি সেন্টু ওরফে পিচ্চি সেন্টুকে বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদে মজুদ থাকা অস্ত্রের সন্ধান দেয় সেন্টু।

রাতে সেন্টুকে নিয়ে উপজেলার কাঠাদিয়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কাঠাদিয়া ঈদগাঁ এলাকায় পৌঁছলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সেন্টুর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়।

এ সময় পালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় সেন্টু। এছাড়া সন্ত্রাসীদের হামলায় এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

Comments are closed.