হোসেনী দালান ইমামবাড়ায় গ্রেনেড হামলার ঘটনায় আরও তিনজন আটক

হোসেনী দালান ইমামবাড়ায় ‘দেশীয় গ্রেনেড’ হামলার ঘটনায় আরও তিনজনকে আটক করেছে চকবাজার থানা পুলিশ। তারা হলেন- মো. শফিকুল ইসলাম (২৮), ফয়সাল (১৬) ও মোরসালিন (১৯)।

শনিবার ফজরের নামাজের সময় হোসেনী দালানের দোতালা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করে থানা কর্তৃপক্ষ। যদিও পুলিশ বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক বলেন, ‘শনিবার ফজরের নামাজের সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করা হয়। বর্তমানে তারা ডিবির হেফাজতে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আটকরা হোসেনী দালানের দোতলায় ফজরের নামাজ পড়তে যায়। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। পরে দালান কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দিলে তাদের আটক করা হয়। দালান কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের এর আগে কখনো দেখা যায়নি। কারণ হোসনেী দালানে যারা নামাজ পড়েন তারা একে অপরের পরিচিত।’

এর আগে বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে আবদুল কাদের জিলানী (৩১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

ওসি আজিজুল হক বলেন, আবদুল কাদের জিলানীর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে। শফিকুল ইসলাম ও মোরসালিনের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ এবং ফয়সালের গ্রামের বাড়ি ঢাকার কেরানীগঞ্জে।

এদিকে, গ্রেনেড হামলার ঘটনায় চকবাজার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে।

ডিএমপির লালবাগ জোনের উপ-কমিশনার মফিজ উদ্দিন বলেন, চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদুল ইসলামকে এ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় শুক্রবার রাত ১টা ৫৫ মিনিটে হোসেনী দালান চত্বরে পরপর তিনটি গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় এক কিশোর নিহত হয়। আহত হন শতাধিক।

ভোরের কাগজ

Comments are closed.