কারাগারে হাজতী নারী ধর্ষণ!

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে এক হাজতী নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতার পিতা মো. ফজল খান লিখিতভাবে এই অভিযোগ করেছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সিরাজদিখান থানার ১৩ (৫)১৪ নম্বর মামলায় এই নারী কারাগারে বন্দি রয়েছে। কিন্তু জেলখানাটির মেঘনা ভবনের ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক বিডিআর সদস্য গজারিয়ার মো. হাসান (৩৫) নামের এক কয়েদী এই নারীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করছে। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয় এই অপকর্মে সহায়তা করছে মহিলা কারারক্ষী আমেনা বেগম ও ভারপ্রাপ্ত হাবিলদার কনস্টেবল রোকন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয় জেলাখানায় মেয়েকে দেখতে আসলে বিষয়টি জানতে পোরে কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। পরে আদালতে আসার পর বিষয়টি এই নারী তার মাকেও সব খুলে বলে। পরে ঘটনাটি জেল কর্তৃপক্ষতে মৌখিকভাবে অবগত করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। জেল খানার ভেতর ভয়ভীতি দিখিয়ে এই ধর্ষণ করেই যাচ্ছে। পরে বিষয়টি লিখিতভাবে অভিযোগ করে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে মহিলা ওয়ার্ডে কেউ প্রবেশ করতে পারে না। কয়েদী যে হাসানে বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে সে পাঁচ বছরে সাজা প্রাপ্ত বিডিআর সদস্য। সে অনেক দিন ধরেই এই কারাগারে রয়েছে। যে নারী ধর্ষিত হওয়া অভিযোগ উঠেছে সে প্রায় এক বছর ধরে এখানে বন্দি আছে। এছাড়া অন্য একটি ওয়ার্ডে এই নারীর স্বামীও বন্দি। কিন্তু অভিযোগটি তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না।

অভিযোগকারী জানায়, জেল ভিজিট হলেও তার মেয়ে লজ্জায় বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করতে পারছে না। কিন্তু জেলারকে জানানোর পরও কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না এই প্রশ্ন অভিযোগকারীর। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সেন্টাল জেলের আইজিকে (প্রিজন) লিখিত এই অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.