উদ্ধার: পুরান ঢাকায় বিরল প্রজাতির ৫৭টি কচ্ছপ উদ্ধার

পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজারে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ বিক্রির সময় তিনজনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ মণ ওজনের ৫৭টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে ৪টি মা কচ্ছপ রয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে র‌্যাব-১০ এর একটি দল এ অভিযান চালায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

দণ্ড পাওয়া তিন বিক্রেতা হলেন_ প্রদীপ চন্দ্র দাস ও তার ভাই পনির চন্দ্র দাস এবং কার্তিক চন্দ্র দাস। তাদের মধ্যে প্রদীপ ও পনিরকে ৯ মাস এবং কার্তিককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলাম জানান, কচ্ছপ বিক্রি করা বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এরপরও ওই তিনজন শাঁখারীবাজার এলাকায় প্রকাশ্যেই বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ বিক্রি করছিল। এ জন্য ওই তিনজনকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২-এর ৩৪ (খ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকালই তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা জানান, তারা খুলনা, নরসিংদী এবং মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কচ্ছপ সংগ্রহ করে থাকেন। ৮ বছর ধরে শাঁখারীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় তা বিক্রি করে থাকেন। প্রতি শুক্রবারে ভোরে সূর্য ওঠার আগেই শাঁখারীবাজারে নিয়মিতভাবে কচ্ছপ বিক্রি করে আসছিলেন তারা।

প্রদীপ চন্দ্র দাস জানান, বড় কচ্ছপ প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা থেকে ১১শ’ টাকা দরে বিক্রি করা হতো।

এদিকে বন সংরক্ষক ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক ড. তপন কুমার দে জানান, উদ্ধার করা কচ্ছপগুলোর মধ্যে ৫টি ধুম কচ্ছপ, ১৫টি কড়িকাইট্টা এবং ৩৭টি সুন্ধি কচ্ছপ রয়েছে। ৫৭টি কচ্ছপই গাজীপুর সাফারি পার্কে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সমকাল

Comments are closed.