আগাম কপির বীজতলা তৈরিতে মুন্সীগঞ্জে কৃষক ব্যস্ত

মুন্সীগঞ্জে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার আগেই শুরু হয়েছে কৃষকের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। আসন্ন শীতের সবজি বাজারকে সমৃদ্ধ করতে চলছে বীজতলা তৈরির কাজ। তাই জেলার উঁচু জমিগুলোতে কপির বীজতলা তৈরি নিয়ে ব্যস্ত কৃষকরা। জেলার ১০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে এবার বীজতলা হয়েছে। বপনের পর মাত্র ২০ দিবসে এই বীজতলা বাজারজাতের উপযোগী হচ্ছে। এতে অল্প সময়েই লাভবান হচ্ছে কৃষক। এই কফি চারার অধিকাংশই যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

মুন্সীগঞ্জের উঁচু জমিগুলোর যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই এখন বীজতলা। চারাগুলোকে রোপণের উপযোগী করতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এখানকার কৃষকরা। সদর উপজেলার পঞ্চসার, দশকানি, ভট্টাচার্যের বাগ, রামপাল, সুখবাসপুর, হাতিমারা, জোড়ারদেউল, পানাম, পাইট্টালপাড়া, রামেরগাঁও, কেপিবাগ, দালালপাড়া, ধলাগাঁও, রামশিং, বজ্রযোগিনি, সুয়াপাড়া, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বড়লিয়া, পাইকপাড়া, রান্ধনীরাড়ি, কান্দাপাড়া গ্রামের উঁচু জমিগুলোতে এখন কপির বীজতলা তৈরি নিয়ে কৃষকের ব্যস্ততার যেন নেই শেষ। শুধু দিনের বেলায়ই নয় রাতের কুয়াশা এবং বৃষ্টি থেকে রক্ষায় বীজতলা ঢেকে রাখা হচ্ছে।

ইতোমধ্যেই যথাযথ পরিচর্যা এবং যতেœ বীজতলাগুলো সবুজ হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া, মাটি এবং কৃষকের বিশেষ দক্ষতার কারণে অল্প সার ও বীজ ব্যবহার করে শক্ত সবল ও উন্নতমানের বীজ উৎপাদন হচ্ছে এখানে। এবার বীজের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ অপেক্ষাকৃত বেড়ে গেলেও চারা উৎপাদন বেড়েছে। তবে বিদেশী এই বীজ সরকারীভাবে কৃষকদের মাঝে পৌঁছানোর দাবি উঠেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে অবগত করা হয়েছে। যাতে সরকারীভাবে এই উন্নত বীজ আমদানি করে তা সহজে এবং সূলভ মূল্যে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এছাড়া বর্ষায় বিদায়লগ্নে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকের মধ্যে শঙ্কাও কাজ করছে।

জনকন্ঠ

Comments are closed.