গরুর হাটের ইজারা বাতিলের দাবিতে ডিসির কাছে আবেদন

শেখ মো. রতন: মুন্সীগঞ্জের শহরের উপকণ্ঠে মুক্তারপুর বালুর মাঠে গরুর হাটের ইজারার সিডিউল দাখিলে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঘোষিত ইজারা বাতিল ও পুনরায় ইজারার সিউিউল জমা দেওয়ার দাবি সম্বলিত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুর রহমান ও আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এ আবেদনপত্র দাখিল করা হয়। এর অনুলিপি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারাবান তহুরা, জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান আনিসের কাছেও দেওয়া হয়েছে।

ওই আবেদনপত্রে অভিযোগ করা হয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের টেন্ডার বাক্সে তিনটি সিউিউল জমা পড়ে। অপর নির্ধারিত স্থান সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে কোনো সিডিউল জমা পড়েনি। অথচ পরে ঘোষণা করা হয়, সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দিনের নামে একটি সিডিউল জমা পড়েছে এবং সে সর্বোচ্চ দরদাতা হওয়ায় গরুর হাটের ইজারা তাকে দেওয়া হয়েছে। গোপন আঁতাতের মাধ্যমে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা আক্তার রিভা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিএনপি নেতাকে ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারাবান তাহুরা বলেন, দাখিল করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। লিখিত অভিযোগের অনুলিপি পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সুপার বিষয়টি অবগত হয়েছেন। আমরা এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সমাধানের চেষ্টা করছি। সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি)- আফরোজা আক্তার রিভার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও গরুর হাটের ইজারা সিডিউল পুনরায় জমা দেওয়া যাবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই জরুরি বৈঠক করব।

এদিকে সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা আক্তার রিভা তার কার্যালয়ে সিডিউল দাখিলে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘তিনটি টেন্ডার বাক্স একই সঙ্গে খোলার পর সেখানে চারটি সিডিউল পাওয়া গেছে। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

রাইজিংবিডি

Comments are closed.