পানিবন্দি ২ শতাধিক পরিবারের মানবেতর জীবন যাপন

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পদ্মা নদী তীর এলাকার ২ শতাধিক পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। উজান হতে নেমে আসা ঢলের পানিতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। প্রায় ১৫ দিন ধরে পানিবন্দি এ সমস্ত পরিবারগুলোতে বিশুদ্ধ পানির অভাবে বিভিন্ন রোগ বালাই ছড়িয়ে পরেছে। এ সমস্ত পরিবারের অনেককে কলসি নিয়ে বাশেঁর সাকোঁ পারি দিয়ে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে বিশুদ্ধ পানির জন্য ছুটতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়,, উপজেলার হাসাইল, গারুর গাও, পাচঁগাও পদ্মা নদী তীর এলাকার প্রায় ২ শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। উঠানের মধ্যে বাশঁ দিয়ে পুল তৈরী করে তারা এক ঘর হতে অন্য ঘরে যাচ্ছে। তাদের গৃহপালিত গরুগুলো একই ঘরের মধ্যে দির্ঘ ১৫দিন যাবৎ পানি বন্দি হয়ে অন্য স্থান হতে সংগ্রহ করে আনা খাবার খাচ্ছে। পানির কারনে মশার উপদ্রুব বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনের বেলায়ও গরুগুলোকে মশারি টানিয়ে রাখা হয়েছে। নদী ভাঙ্গন কবলিত সব হারানো এই পরিবারগুলো একটু কম ভাড়া দিয়ে থাকার জন্য নদী তীরের এ সমস্ত স্থানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ আনোয়ারা বেগম জানান, আমরা প্রতিবছর ৩ হাজার টাকা ভাড়ায় এখানে জমি ভাড়া নিয়ে ঘর উত্তেলন করে বসবাস করে আসছি। অন্য জমির ভাড়া বেশি হওয়ায় এই স্থানে ভাড়া একটু কম হওয়ায় এই জমি ভাড়া নিছি। একটু বেশি পানি হলেই আমাদের এই স্থান পানিতে তলিয়ে যায়। গত বছর ত্রান পাইলেও এবার আমারা কোন সরকারী সহয়তা পায়নি। বিশুদ্ধ পানির খোজেঁ কলসি কাখে নিয়ে ছুটে চলা জলি বেগম জানান, আমাদের এখানে কোন আ¯্রােনিক মুক্ত টিউবওয়েল নাই।

আ¯্রিেনক যুক্ত কয়েকটা টিউবওয়েল থাকলেও এগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আধঘন্টা হেটে গিয়ে পানি আনতে হচ্ছে। পাচঁগাওঁ ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস সেখ জানান, দির্ঘ দিন যাবৎ এই পরিবারগুলো পানি বন্দি হয়ে থাকলেও আমরা তাদের জন্য কোন ত্রান সহয়তা পাচ্ছিনা।

বিক্রমপুর চিত্র

Comments are closed.