জিজ্ঞাসাবাদ: সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

সিরাজগঞ্জে কোটি টাকা উদ্ধার
সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চালক-বাহকের দু’দিনের রিমান্ড শেষে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। রোববার রাতে এ ঘটনায় ঢাকার পুলিশের বিশেষ শাখার উপপরিদর্শক ছানোয়ার হোসেন ও সিরাজগঞ্জের যুবদলকর্মী মিরপুর মহল্লার মৃত বাকী সরকারের ছেলে হুমায়ন কবীরের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি সদর সার্কেল এএসপি ফারুক আহম্মেদের উপস্থিতিতে তারা সাক্ষ্য দেন। তবে অন্য সন্দেহভাজন সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি আবু সাঈদ সুইট, সিরাজগঞ্জ বাস ও কোচ মালিক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম ওরফে জান বক্সের ছেলে সেলিম আহম্মেদ ও বিএ কলেজ রোডের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে যুবদল নেতা রাজিব আহম্মেদ এখনও অনুসন্ধান কমিটির মুখোমুখি হননি। এমনকি টাকার সঙ্গে জব্দকৃত গাড়িটির মালিক ঢাকার তেজগাঁও থানার পশ্চিম নাখালপাড়ার মারস্ ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী এ.এস.এম আনোয়ার হোসেনকে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও কোনো নেটিশ দেওয়া হয়নি।

পুলিশের অনুসন্ধান কমিটির সভাপতি সদর সার্কেল এএসপি ফারুক আহম্মেদে গতকাল সোমবার দুপুরে জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে। চালক-বাহকের দু’দিনের রিমান্ড শেষে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাক্ষ্য গ্রহণ করার পর তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ সুপার বরাবর দাখিল করা হবে। তারপর তার নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সব তথ্য জানানো হবে বলেও তিনি জানান।

গত ১৮ আগস্ট দুপুরে সেতুর পশ্চিমে গোল চত্বর এলাকায় প্রাইভেটকার নিয়ে ঢাকার দিকে যাওয়ার সময় এক কোটি ৩৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকাসহ মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে প্রাইভেটকার চালক বাবু ইসলাম (২৮) ও রাজশাহী জেলার দেবীপুরের খলিলুর রহমানের ছেলে আবদুর রাজ্জাক (২৮) পুলিশের হাতে আটক হয়। আদালতের মাধ্যমে দু’দিনের রিমান্ডে এনে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঘটনার দিন আটক হওয়ার পর চালক-বাহক পুলিশের কাছে জানায়, সিরাজগঞ্জের সুইট, সেলিম, রাজিব ও হুমায়নের নির্দেশে এসবির উপপরিদর্শক ছানোয়ার হোসেনকে টাকাগুলো দিতে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

সমকাল

Comments are closed.