ইউপি সদস্য কর্তৃক বাক প্রতিবন্ধিকে যৌন হয়রানি!

রাণী হক: সিরাজদিখানে বাক প্রতিবন্ধিকে ইউপি সদস্য কতৃক যৌন হয়রানির কারণে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল। শুক্রবার এ ব্যাপারে উপজেলার ফুরশাইল (নগর) গ্রামের মৃত আবু সাইদের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৪৬) বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার মেয়ে বাক প্রতিবন্ধি স্বপ্না (১৯) কে মালখানগর ইউনিয়নের কাজীর বাগ গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য মালন কাজি, দীর্ঘদিন ধরে যৌন হয়রানি করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আলেয়া বেগম জানান, আমার মেয়ে কথা বলতে পারেনা বলে কি তাকে বিয়ে দেব না। তার সাথে এমন খারাপ আচরণ ও বাজে মন্তব্য করে বদনাম করছে। ইশারা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে মালন কাজি। তার জন্য আমার মেয়ে ঘর থেকে বের হতে পারে না। বাড়ির সামনে এসে প্রায় সময় দাঁড়িয়ে থাকে এবং খারাপ আচরণ করে। তাকে প্রতিবাদ করলে সে আমার মেয়ে নাকি খারাপ এসব কথা যেখানে সেখানে বলে। তাই উপায় না পেয়ে থানায় জানাতে বাধ্য হই।

মালন কাজি জানান, আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ সত্য না। আমাকে হেয় করার জন্য কেউ মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে থানায় অভিযোগ করেছে। আপনারা এলাকায় গিয়ে তথ্য নেন তাহলেই সত্য কি জানতে পারবেন।

সিরাজদিখান থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুর রহমান জানান, একটা অভিযোগ পেয়েছি এস আই মানিক তদন্ত করছেন।

এস আই মানিক জানান, তদন্তে গিয়েছিলাম স্বাক্ষী পাওয়া যায় নাই। ব্যাপারটি ওসি স্যার দেখবেন।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, অনেক পুরুষ মহিলা অনেক কিছু বলতে চায় কিন্ত কোন আতন্কে যেন মুখের ভাষা মুহুর্তেই মিশে যায় , কেন এই আতন্ক? কিসের ভয় সে মানুষগুলোর ? কি করেন মালন কাজী ? কে আছে মালন কাজীর পেছনে? মালন কাজী যে নীরব ত্রাস চালাচ্ছে তা তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দী থেকেই বুঝা যায় । মুন্সীগঞ্জের সুযোগ্য ডিসি ও তরুন প্রতিভা পুলিশ সুপার মহোদয় ব্যাপার টিকে দেখবেন কি? থানার পুলিশ না হয় তাদের চক্রটিকে ভয় পায় আপনাদের তো ভয় পাওয়ার কথা নয় ? জেলা প্রশাসক মহোদয় ভয় পায় না তার প্রমাণ বহুবার দিয়েছে , পুলিশ সুপার মহোদয়ের দৃষ্টি কামনা করছি।

প্রসঙ্গত- ১২জুলাই মদসহ গ্রেফতার হয়ে জামিনে এসে বেপরোয়াভাবে আবার পূর্বের কাজ বহাল তবিয়তে করে আসছে ।

ক্রাইমভিশণ

Comments are closed.