পৌর নির্বাচনে ফয়সাল বিপ্লবের বিকল্প নেই

মোহাম্মদ সেলিম: মুন্সীগঞ্জে তিন পুরুষের রাজনীতি। প্রথম পর্যায়ে মুন্সীগঞ্জে পাকিস্তান আমলে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন মো: মহিউদ্দিনের পিতা। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৭১’এর মুক্তির সংগ্রামের পর এখানে তার ছেলে মো: মহিউদ্দিন রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেন। সেই ধারাবাহিকতায় এরপর তৃতীয় পর্যায়ে একুশ শতকে বর্তমানে তার নাতি ফয়সাল বিপ্লব রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

রাজনীতি পরিবারের সন্তান হিসেবে ফয়সাল বিপ্লবের রাজনীতিতে আসতে তেমন কোন বেগ পেতে হয়নি। বরং উত্তরসূরী হিসেবে রাজনীতিতে ধারাবাহিক ভাবে তার অভিষেক ঘটেছে।

আ’লীগের থেকে এবার মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে নামবেন ফয়সাল বিপ্লব। আ’লীগের ঘরনার ভেতরে ফয়সাল বিপ্লব এর বিকল্প কোন প্রার্থী নেই। এ মুহূর্তে আ’লীগের সবচেয়ে শক্ত প্রার্থী হচ্ছেন ফয়সাল বিপ্লব।

এবারের পৌর নির্বাচনে ফয়সাল বিপ্লবকে পরাজিত করার মতো প্রার্থী বিরোধী শিবিরেও নেই। এ মুহূর্তে বিরোধী শিবিরে যাদের প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে তারা কেউ নির্বাচনে ফয়সাল বিপ্লবের সাথে ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারবে না বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী হিসেবে ফয়সাল বিপ্লবের জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় বিগত দিনে তার চাচা প্রথম পর্যায়ে খালেকুজ্জামান খোকা ও দ্বিতীয় পর্যায়ে আনিসুজ্জামান আনিস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এই দায়িত্ব পালনে তাদের সুনাম অক্ষুন্ন রয়েছে। চাচাদের সুনাম ধরে রাখার দায়িত্ব ফয়সাল বিপ্লবের।

ফয়সাল বিপ্লব এক সময়ে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এবার জেলা আ’লীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন। রাজনীতিতে ফয়সাল বিপ্লব একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমানের কুলে উঠেছেন। এ রকম ভাগ্যের লোকের সংখ্যা আমাদের মাঝে খুবই কম। আমার দেখা রাজনীতিতে ফয়সাল বিপ্লব সুন্দর করে বক্তব্য দেন। অনেক সিনিয়র নেতাদের চেয়ে তার বক্তব্যের বাচন ভঙ্গিও ভালো। যা অনেক নেতাদের মাঝে দেখা যায় না। সব কিছু মিলিয়ে রাজনীতিতে ফয়সাল বিপ্লব এগিয়ে চলেছে।

বিক্রমপুর সংবাদ

Comments are closed.