সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে রাজউকের দুই কর্মকর্তার সাক্ষ্য

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় রাজউকের দুই কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। তাঁরা হলেন মশফিকুর রহমান ও মুনতাসিম খান।

গতকাল বুধবার ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার এই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরে বিচারক পরবর্তী সাক্ষ্যের জন্য আগামী ৮ জুলাই দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলাটিতে ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। এ মামলায় খোকা পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে কোনো সাক্ষীকে জেরা করার আইনগত কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে গত ২৪ জুন এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সিআইডির এসআই মতিয়ার রহমান, ওয়ান ব্যাংক ইমামগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার আতিক হায়াত, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, শাহনাজ বেগম এবং হাবিব ব্যাংকের অফিসার নাহিদ জামান। গত বছরের ৩০ অক্টোবর মামলায় খোকার অনুপস্থিতিতে তাঁকে পলাতক দেখিয়েই অভিযোগ গঠন করা হয়।

নথিসূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সাদেক হোসেন খোকা দুই কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। কিন্তু তদন্তের পর ৯ কোটি ৭৬ লাখ ২৮ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ৯ কোটি ৬৪ লাখ তিন হাজার টাকা সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ পাওয়া যায়। এ অভিযোগে ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

একই বছরের ১ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। মামলা বাতিলের আবেদনের কারণে হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলায় নিম্ন আদালতে বিচার কার্যক্রম স্থগিত ছিল। তাঁর স্ত্রী ইসমত আরাও মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তবে চার্জশিট দাখিলের আগে হাইকোর্ট তাঁর অংশের মামলার কার্যক্রম স্থগিত করায় তাঁর অংশের তদন্ত স্থগিত রয়েছে। এ মামলায় খোকার ছেলে ইসরাক হোসেন ও মেয়ে সারিকা সাদেক আসামি থাকলেও তাঁদের চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়।

কালের কন্ঠ

Comments are closed.