শিমুলিয়া নৌরুট: ফের যাত্রীদের থেকে টোল আদায়, ক্ষোভ

দুই বছর বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে ফের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি-কাওড়াকান্দি ও মাঝিকান্দি নৌরুটে যাত্রীদের কাছ থেকে টোল আদায় শুরু করেছে বিআইডাব্লিউটিএ। লঞ্চের টিকিটের সঙ্গেই এ টোল আদায় করা হচ্ছে। এ ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ৩৩ টাকা লঞ্চভাড়ার সঙ্গে দুই টাকা টোল যোগ করে ৩৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। জানা গেছে, টোল আদায় বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিএর উপপরিচালক শাজাহান সিরাজ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গত ৩০ জুন লঞ্চ মালিক সমিতি বরাবর পাঠানোর পর বুধবার সকাল থেকেই তা কার্যকর করে লঞ্চ মালিকরা। ওই চিঠি থেকে জানা গেছে, ঘাটগুলোতে স্বার্থন্বেষী মহলের দৌরাত্ম্য হ্রাস, যাত্রীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ, যাত্রী হয়রানি লাঘব এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে লঞ্চঘাটগুলো সরাসরি ইজারা না দিয়ে যাত্রী পারাপারের জন্য লঞ্চের টিকিটের সঙ্গে বিআইডাব্লিউটিএ যাত্রীদের কাছ থেকে দুই টাকা করে ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এ টোল লঞ্চ মালিক সমিতি যাত্রীদের কাছ থেকে আদায়ের পর শর্ত অনুযায়ী বিআইডাব্লিউটিএকে পরিশোধ করবে বলেও ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সরেজমিনে মাঝিকান্দি, কাওড়াকান্দি ও কাঠালবাড়ি ঘাটে দেখা যায়, ঘাটগুলোতে বিআইডাব্লিউটিএর টোল আদায়ের পাশাপাশি জেলা পরিষদের লোকজন খাস কালেকশনের মাধ্যমে টোল আদায় করছে। তিন টাকা টোলের পরিবর্তে তারা ৫ থেকে ১০ টাকা আদায় করছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল থেকে আসা ঢাকাগামী লঞ্চের যাত্রী আনোয়ার হোসেন জানান, ‘কাওড়াকান্দি ঘাটে দিয়েছি ৫ টাকা, লঞ্চে দিয়েছি ৩৩ টাকার স্থলে ৩৫ টাকা। সরকার সুন্দর একটি উদ্যোগ নেওয়ার পরও ঘাটগুলোতে যাত্রী হয়রানি কমেনি; বরং এ ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে লঞ্চ মালিকরা।’

কালের কন্ঠ

Comments are closed.