বিভিন্ন শ্রেণীর ২০ হাজার শ্রমিক নিঃস্ব: মাওয়া ঘাট

মোঃ রুবেল ইসলাম: মাওয়াঘাটে বিভিন্ন শ্রেণীর প্রায় ২০ হাজার দিনমজুর নিঃস্ব। আর এই ২০হাজার শ্রমিকের পরিবারে আছে প্রায় ১লাখ ২০ হাজার লোক। শিমুলিয়া মাওয়া,কাওরাকান্দি নৌরুটে চলা ৮৭টি লঞ্চে প্রায় ৭/৮শ দিনমজুর, স্পিড বোটে থাকা ২হাজার শ্রমিক, হোটেলসহ নানা খাবারের ব্যবসায়ী আরও ৫হাজার ঘাট নিয়ে কর্মরত চলাচল রত সাড়ে ৪হাজার ও ১৫টি বাস কম্পানিতে রয়েছে প্রায় ১৬হাজার শ্রমিক এরা সবাই দিনমজুর। স্থানান্তর হয়েছে ঘাট , নদী শাসনের কাজ শুরু হয়েছে , সেতু হলে অবশ্য আর এখানে থাকবে না কোনো ঘাট। আর তখন এই ঘাটকে ঘিরে কাজ করা এ লাখো মানুষের জীবিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা। স্বপ্নের পদ্মাসেতু হবে, কিন্তু এ নিয়ে মনে কোনো আনন্দ নেই মাওয়া ঘাটের এই দিনমজুরদের। বরং রুটি রুজির কী হবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

মাওয়া ঘাটের লঞ্চ ব্যবসায়ী মোঃ মজনু শেখ,মোদি দোকানি জব্বার মিয়া ,হোটেল মালিক আঃছালাম ,সহ অনেকেই অভিযোগকরে জানান এই ঘাটের পাশ দিয়ে হবে পদ্মাসেতু তাই সরে যেতে হবে মাওয়া পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকার নীতিমালা মেনে সবাইকে। এরআগে পদ্মা সেতুর কাজের জন্য মাওয়া চৌরাস্তা থেকে ঘাট সরিয়ে ছয় মাসের জন্য আনাহলো এক কিলোমিটার পুর্বে শিমুলিয়া এলাকায়। ভাবছিলাম এখানে সকল ধরনের ব্যবসাবানিজ্য ভালো হবে।

তবে ঘাটপাড়ে ছোট একটি দোকান ঘর বসাতে হলে লাগে বড়অংকের বা নেতাকর্মিদের চাহিদা মতো টাকা। এদিকে দুবছর আগে পদ্মার ভাঙনে মাওয়ার তিনটি পুরনো ফেরিঘাট বিলিন হয়ে যাওয়ার ফলে মাওয়া চৌরাস্তা সংলগ্ন এবং ঋৃষিবাড়ি এলাকায় ফেরিঘাট ও পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়।সে সময় একটি দোকান ঘর বসাতে এক দফা খরচ করতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের ফের নতুন ঘাটে দোকান বসাতে যেন বাড়তি কোনো খরচ না হয়সে বিষয়েও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এইদিনমজুর মানুষগুলোর বিষয়ে সরকার কী ভাবছে তাস্পষ্ট করেননি নৌ পরিবহণমন্ত্রী। সম্প্রতি মাওয়াঘাট কহেক দফা পরিদর্শনে আসলে শ্রমিকদের উদ্বেগের বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

 

Comments are closed.