প্রেসক্লাব টঙ্গীবাড়ী: সভাপতি ও সম্পাদককে হত্যার হুমকি

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার টঙ্গীবাড়ী প্রতিনিধি ব.ম শামীম এবং সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আলম বিপ্লবকে মোবাইলে ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার কাঠাদিয়া গ্রামের আজিজ বেপারী ছেলে কুখ্যাত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যাবসায়ী ও নারী লোভী আরিফ হোসেন তার নাম্বার ০১৭৩১০৫৮২৬৮ হতে ব.ম শামীমের নাম্বার ০১৮১৮৪০৫০৮৯ তে ফোন করে এ হত্যার হুমকি দেন।

আরিফ গত ১৩ই জুন বিকেলে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ধর্মান্তরিত নারী মরিয়মকে কাঠাদিয়া এলাকায় পিটিয়ে গুরুতর জখম করলে তার স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করলে সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে দির্ঘদিন যাবৎ আরিফ টঙ্গীবাড়ীতে কর্মরত সাংবাদিকদের হুমকী দামকি প্রদান করে আসছিলো। পরে সোমবার রাতে সে টঙ্গীবাড়ী প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে হত্যার হুমকি প্রদান করেন।

এ ব্যাপরে টঙ্গীবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়রী নং ৭৫৬ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৯ মার্চ ২০১৪ইং তারিখে ঢাকা কোর্টে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে আরিফ রুবি নামের এক মেয়েকে হিন্দু হতে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে নিজের প্রথম বিয়ে গোপন করে দ্বীতিয় বিয়ে করেছেন বলে জানান দ্বিতীয় স্ত্রী রুবি। বিয়ের পর আরিফ রুবি উরফে মরিয়মকে নারায়নগঞ্জের কাশিপুর এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে তুলে। সেখানেই ঘর সংসার করছিলো তারা।

সম্প্রতি মরিয়ম গর্ভবর্তী হয়ে পরলে আরিফ তাকে গর্ভপাত ঘটাতে বলে। মরিয়ম গর্ভপাত না ঘটাতে চাইলে তার তলপেটে লাথি মেরে তার বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে আরিফ। পরে আরিফ নারায়গঞ্জের কাশিপুরে স্ত্রীকে রেখে এসে নিজ গ্রামের বাড়ি কাঠাদিয়ায় আশ্রয় নেয়। রুবি খবর পেয়ে আরিফের গ্রামের বাড়ি কাঠাদিয়ায় আসলে সে রুবিকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে এলাকার লোকজন দিয়ে ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করলে তাদের এই হত্যার হুমকি দেওয়া হলো।

এলাকাবাসী জানান, আরিফ এলাকার একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। সে কখনো মুন্সীগঞ্জের মানিকপুর কখনো নিজ গ্রামের বাড়ি টঙ্গীবাড়ীর কাঠাদিয়ায় অবস্থান করে মাদকের রমরমা ব্যাবসা করে আসছে বলে একাধিক সুত্রে জানাগেছে। তার বাবা আজিজ বেপারী মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রসাশক অফিস সহকারী হওয়ায় তার দাপটে সে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে বলে এলাকাবাসী জানান।

বিক্রমপুর চিত্র

Comments are closed.