বর্জ্য অপসারণ : জাপান মডেল

রাহমান মনি: মানুষের জীবন ধারণের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান কিংবা শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজন আনুসঙ্গিক সামগ্রী যা তার নিত্য প্রয়োজন হয়ে থাকে। আর যেখানে প্রয়োজন কথাটি প্রযোজ্য, সেখানে অপ্রয়োজন বা অপ্রয়োজনীয় (সামগ্রী) থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

এই অপ্রয়োজনীয় সামগ্রীকে বর্জ্য, উচ্ছিষ্ট, ভুক্তাবশেষ, আবর্জনা, জঞ্জাল, ঝোঁটানি, বাজে জিনিস, অকেজো অর্থহীন বা অবান্তর উপাত্ত যে নামেই সম্বোধন করা হয় না কেন, তা পরিবেশের ওপর যে প্রভাব ফেলে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা বিরূপ প্রভাব হিসেবে বিবেচ্য।

যদিও প্রযুক্তির চরম শিখরে পৌঁছে মানুষ অনেক উচ্ছিষ্টই এখন রিসাইকেল বা পুনর্ব্যবহারের উপযোগী করার ব্যবস্থা নিয়েছে। তারপরও কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বর্জ্যরে পরিমাণ নেহায়েতই কম নয়। বা অন্য কথায় বলা যায়, বর্জ্য অনুযায়ী পূর্ণ ব্যবহারের পরিমাণ খুবই কম।

তবে সব বর্জ্যই যে অপ্রয়োজনীয়, তা কিন্তু নয়। অনেক বর্জ্য থেকেই আধুনিক যুগের আভিজাত্যের প্রয়োজনীয় সামগ্রীও তৈরি হচ্ছে। পরিত্যক্ত পেট বোতল থেকে জাপানে বিভিন্ন ব্রান্ডের টি-শার্ট তৈরি হচ্ছে। পশু-পাখির বর্জ্য যে কৃষিখাতে কতটা উপকারী তা আদিমকাল থেকে মানুষ জেনে এসেছে। ২০১২ সালে বিশ্ব মিডিয়ায় প্রচারের কল্যাণে হাতির বিষ্ঠার সঙ্গে বের করানো কফি অতি সুস্বাদু ও মূল্যবান তা মানুষ জেনেছে। ২০১৪ সালে আমরা জানতে পেরেছি বিশ্বে সবচেয়ে দামি কফি উৎপাদন হয়ে থাকে গন্ধগোকুলের বিষ্ঠা থেকে।

আজ আমরা আলোচনা করতে চাই, জাপানে আবর্জনা অপসারণ পদ্ধতি নিয়ে। বিপুল পরিমাণ আবর্জনা সরিয়ে প্রতিদিন রাস্তাঘাট ঝকঝকে রাখার পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে।

জাপানের আবর্জনা অপসারণ পদ্ধতির মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে জাপান-বাংলাদেশ এই দুই দেশের তুলনামূলক একটি চিত্র তুলে ধরার প্রয়োজন মনে করছি যা অন্তর্জাল এবং উইকিপিডিয়া সূত্রে পাওয়া।

বাংলাদেশের আয়তন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার। যেখানে জাপানের আয়তন হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪৪ বর্গকিলোমিটার। ২০১৪ সালের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটিরও বেশি। যেখানে জাপানের মোট জনসংখ্যা ১২ কোটির কিছু বেশি। যা বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার তিন চতুর্থাংশ বা ৭৫%। অর্থাৎ জাপানের অর্ধেকেরও কম আয়তনবিশিষ্ট বাংলাদেশের ভূমিতে জাপানের চেয়েও বেশিসংখ্যক লোকের বসবাস। যদিও তুলনামূলক বাংলাদেশে সমতল ভূমির পরিমাণ বেশি জাপানের চেয়ে।

একইভাবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার (যাকে আমরা মেগাসিটি বলে থাকি) আয়তন হচ্ছে ৮১৫.৮ বর্গকিলোমিটার। যেখানে জাপানের রাজধানী টোকিওর আয়তন হচ্ছে ২১৮৭.৬৬ বর্গকিলোমিটার। অর্থাৎ ঢাকার আড়াই গুণ বড় হচ্ছে টোকিও। ঢাকায় যেখানে ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি) লোকের বসবাস, সেখানে টোকিওতে ১৩ মিলিয়ন (এক কোটি ত্রিশ লাখ) লোকের বসবাস। এখানে টোকিওর মাত্র ৪০% আয়তনবিশিষ্ট ঢাকায় টোকিওর চেয়ে প্রায় ২০ লাখ বেশি জনসাধারণের বসবাস। রাজধানী ঢাকা শহরে প্রতিদিনের আবর্জনা বা গার্বিজের (ধ্বংসযোগ্য) পরিমাণ হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ টন। বিপুল পরিমাণ এই আবর্জনার ৭৫% আসে দৈনন্দিন জীবনে গৃহস্থালি কাজের উচ্ছিষ্ট থেকে। যেমন, মাছ, মাংস, শাকসবজি, ফলমূলের খোসা, রেস্তোরাঁ বা হোটেলের উচ্ছিষ্ট খাবার, ব্যবহার অযোগ্য বস্ত্র বা গাছগাছালি থেকে। যেখানে জাপানের রাজধানী টোকিওতে ধ্বংসযোগ্য আবর্জনার পরিমাণ প্রতিদিন ১৩ হাজার টন। টোকিওতে এত বিপুল পরিমাণ আবর্জনা জমার অন্যতম কারণ হচ্ছে একক বসবাস, বাইরে খাবারের প্রবণতা এবং অতিরিক্ত স্বাস্থ্য সচেতনতা বলে প্রতীয়মান। অতিরিক্ত স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য প্রতিনিয়ত খাবারের অপচয় হয়।

তবে জাপানে প্রতিদিনের ময়লা বা আবর্জনা বেশি হলেও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী পুনর্ব্যবহারের অনুপযোগী আবর্জনা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে আধুনিক পদ্ধতিতে তা ধ্বংস করে ফেলার কারণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মেগাসিটি হিসেবে টোকিও বিশ্বে মাথা উঁচু করে আজও দাঁড়িয়ে আছে।

জাপানে প্রতিটি মানুষ গড়ে বছরে প্রায় ৩২০ কিলোগ্রাম বা প্রতিদিন গড়ে ১ কিলোগ্রাম (প্রায়) এর সমপরিমাণ আবর্জনা ফেলে। আর বিপুল পরিমাণ এই আবর্জনা পোড়ানোর জন্য জাপানজুড়ে ১৪২৩টি নির্ধারিত স্থান রয়েছে যেখান থেকে অত্যধিক উচ্চ তাপমাত্রায় আবর্জনা পোড়ানো হয়ে থাকে।

এত অধিকসংখ্যক স্থানে আবর্জনা পোড়ানোর স্থান নিয়ে জাপান বিশ্বে এক নাম্বার আসনটি ধরে রেখেছে। যদিও আগের চেয়ে এ সংখ্যা কমানো হয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও কমানো হবে। কারণ ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে আবর্জনা কমানোর জন্য। সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করার জন্য। নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে শপিংমল থেকে শপিং ব্যাগ দেয়ার ক্ষেত্রে। কোনো কোনো শপিংমল বিশেষ করে সুপার মার্কেটগুলোতে ব্যাগের বদলে বোনাস পয়েন্ট বা কোনো কোনো শপিং সেন্টারে প্রতিবারে ২ ইয়েন করে কম রাখা হচ্ছে। সমাজ সচেতন জাপানি জাতি তাতে বেশ সাড়া দিচ্ছে। অনেকেই বাড়ি থেকে ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছেন পুনর্ব্যবহারের জন্য। বিশেষ করে বয়স্করা এই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। আর জাপানে বয়স্ক লোকদের সংখ্যাটাই বেশি।

আর এই কারণেই জাপানে পোড়ানো যোগ্য আবর্জনার পরিমাণ অনেকটাই কমে এসেছে। ২০০৪ সালে পোড়ানো যোগ্য আবর্জনা যেখানে ৬৫ লাখ ৯০ হাজার টন সেখানে ২০১০ সালে তা নেমে দাঁড়ায় ৪১ লাখ ৮০ হাজার টনে। ২০১৫ সালে তা ৩০ লাখ টনে নেমে আসার আশাবাদ করছেন বিশেষজ্ঞরা। অব্যবহৃত আসবাবপত্র পুনঃব্যবহারে অভ্যাস গড়ে তোলাও অন্যতম একটি কারণ। এ কারণে একটি শক্তিশালী রিসাইকেল শিল্প গড়ে উঠেছে জাপানে।

জাপানে আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানেই সাধারণত সবাই ফেলে থাকে। ২-১টি ব্যতিক্রম ছাড়া। এই নির্দিষ্ট জায়গাগুলো সুরক্ষিত থাকে। হতে পারে বসতবাড়ির আশপাশে, সুপার মার্কেট, কম্বিনিয়ানস স্টোরগুলোর প্রবেশ পথে, ট্রেন স্টেশন, খোলা উদ্যান কিংবা যেখানে জনসাধারণের চলাচল বা সমাগম ঘটে সেসব স্থানগুলোতে ময়লা বা উচ্ছিষ্ট ফেলার জন্য বিভিন্ন ধরনের বক্স রাখা হয়। এমনকি কোনো বিশেষ আয়োজন হলেও প্রথমেই উচ্ছিষ্ট ফেলার চিন্তা করতে হয় সবার আগে। সবাই মেনে তা করেও থাকে।

প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করে উচ্ছিষ্ট ফেলার জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। পোড়ানো যোগ্য এবং পোড়ানোর অযোগ্য এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। পোড়ানোর অযোগ্যগুলোকে আবার কয়েকটি ভাগে (এলাকা বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন) ভাগ করা হয়। টিনজাত গ্লাস, প্লাস্টিক এবং অন্যান্য। বড় বড় উচ্ছিষ্ট এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ফেলার জন্য আবার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বা পূর্ব ঘোষিত দিন অথবা যোগাযোগ করে তাদের দেয়া নির্দেশনা মোতাবেক নির্দিষ্ট ফি পরিশোধের সিল সংযুক্ত করে (পরিশোধযোগ্য সিল কম্বিনিয়ানস স্টোরগুলোতে পাওয়া যায়) বেঁধে দেয়া নিয়ম মোতাবেক গুহায় রাখতে হয়। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর উচ্ছিষ্টগুলো বহনে কোনো ফি জমা দিতে হয় না। সপ্তাহে সাধারণত দুই দিন বা এলাকা বিশেষ তিন দিন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এর গাড়ি এসে নিয়ে যায়।

পোড়ানো যোগ্য উচ্ছিষ্ট এবং পোড়ানোর অযোগ্য উচ্ছিষ্ট ফেলায় দিনক্ষণও ভিন্ন ভিন্ন। আবার দৈনিক পত্রিকাসহ কাগজপত্র বা এই জাতীয় উচ্ছিষ্ট ফেলার দিনক্ষণ ভিন্ন থাকে। উল্লেখ্য, জাপানে দৈনিক পত্রিকা বা কাগজ জাতীয় উচ্ছিষ্ট সের হিসেবে বিক্রয় করার কোনো রীতি নেই। কাগজকে রিসাইকেল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী টিস্যু পেপার টয়লেট পেপার প্যাকেট কাগজের ব্যাগ বা এমনকি মণ্ডে পরিণত করে পুনরায় ব্যবহার যোগ্য কাগজও তৈরি করা হয় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে। সেই অর্থে বন্ধের দিনগুলো ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বর্জ্য নেয়া হয়ে থাকে।

উচ্ছিষ্টগুলো নির্দিষ্ট স্থানে নেয়ার পর কিছু কিছু ক্ষেত্রে মনুষ্য দ্বারা বড়গুলো বিন্যাশ করা হয়। কারণ অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞানতাবশত বা অসাবধানতাবশত সব ধরনের আবর্জনা একই সঙ্গে মিশ্রিত থাকে। যদিও পরিমাণে কম তারপরও থাকে এবং দৃশ্যমান। যেগুলো দৃশ্যমান নয় সেগুলো পোড়ানোর আগে মেশিনের সহায়তায় ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন শক্তিশালী বৈদ্যুতিক চুম্বকের সাহায্যে টিন বা লৌহজাত দ্রব্যাদি এক করা হয়। এমনিভাবে গ্লাস বা প্লাস্টিক ভিন্ন ভিন্ন হয়ে ভাগ হয়ে যায়। বাকিগুলো বৈদ্যুতিক তাপযোগে একেবারে ভস্মে পরিণত করে তারপর সেইগুলো সাগরপাড়ে, বেরিকেড দিয়ে নিচু জায়গা ভরাট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। পরিকল্পনা মাফিকই সব করা হয়। গড়ে ওঠে আধুনিক শহর বা বিনোদন কিংবা পর্যটন কেন্দ্র। টোকিওর মিনাতো শহরের ডাইবা নামক শহরটি গড়ে তোলা হয়েছে দীর্ঘ পরিকল্পনা করে আবর্জনার অবশিষ্ট এবং তার সঙ্গে মাটি ও কংক্রিটের অবশিষ্ট যোগ করে।

৩.০৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনবিশিষ্ট আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত শহর দাইবা দীর্ঘ পরিকল্পনার সর্বশেষ সংযোজন। টোকিওর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ শহর, কূটনৈতিক জোন হিসেবে খ্যাত মিনাতো শহরে ০.৫৬ বর্গকিলোমিটার এবং কোতো শহরে ২.৪৮ বর্গকিলোমিটার, সব মিলিয়ে ৩.০৪ বর্গকিলোমিটার বিশিষ্ট দাইবা শহর কেবল আধুনিক শহরই নয়, নির্মল বিনোদন কেন্দ্রও বটে। পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক শহরের নাম অদাইবা। স্থাপত্য শিল্পের আধুনিকতার ছোঁয়া এখানে গেলে বুঝতে পারা যায়। বড় বড় অট্টালিকা ভাঙার পর চুম্বকের সাহায্যে লোহালক্কর ভিন্ন করার পর বাকিগুলো মেশিনের সাহায্যে চূর্ণবিচূর্ণ করে বালু কণায় পরিণত করার পর অন্যান্য আবর্জনা এবং মাটি মিশিয়ে নিচু জমি ভরাটে আজ দাইবা।

বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি তাদের নিজস্ব ব্যবস্থায় প্রতিদিনের উচ্ছিষ্ট প্রতিদিনই সরিয়ে ফেলে। বিশেষ করে খাবারের উচ্ছিষ্টগুলো কাকডাকা ভোরের আগেই সরানোর ব্যবস্থা করা হয়। নতুবা অতি প্রত্যুষে কাকগুলো তাদের ক্ষুধা নিবারণ কিংবা খাদ্যের অন্বেষণে প্রথমেই আঘাত হানে পলিথিন মোড়ানো উচ্ছিষ্ট ব্যাগগুলোর ওপর। বিভিন্ন উচ্ছিষ্ট জিনিস খেয়ে, কাক পরিবেশবান্ধব হলেও নিজেরাও কিছুটা নষ্ট করে বৈ কি?

ভোর রাতে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এর গাড়িগুলো রাস্তাঘাট পরিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এই গাড়ির বহরে সাধারণত চারটি গাড়ি থাকে। একটি গাড়ি থেকে পানি এবং প্রবল বেগে বাতাস দিয়ে গাছগাছালি কিংবা ফুটওভার বা আশপাশ থেকে আবর্জনা নিচে ফেলা হয়। আর একটি গাড়ি থেকে মেশিনের সাহায্যে তা টেনে হাইড্রোলিক চাপে সংকুচিত করা হয়। তৃতীয় গাড়ি থেকে পানি ছিটানো এবং চতুর্থ গাড়ি থেকে ধোয়া হয়। গাড়ির নিচে বড় আকারের ব্রাস যা ঘূর্ণায়মান থাকে। সব কিছুই মেশিনের সাহায্যে অতিদ্রুত এবং নিখুঁতভাবে করা হয়ে থাকে। যার ফলে রাস্তাঘাটগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে।

এখানকার এলাকাভিত্তিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বটি পালন করে থাকে এলাকার লোকজন। সবাইকে অংশ নিয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে হয়। প্রতিমাসেই একবার হলেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে জড়িত হতে হয়। নতুবা গুণতে হয় জরিমানা।

rahmanmoni@gmail.com

সাপ্তাহিক

Comments are closed.