সিরাজদিখান আ’লীগের সম্পাদকের অপসারণ চেয়ে সমাবেশ

অতিরিক্ত র‌্যাব পুলিশ মোতায়েন
মোঃ রুবেল ইসলামঃ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের অপসারণ চেয়ে আওয়ামীলীগের একটি অংশ সমাবেশ করেছে। রবিবার বেলা ১২ টায় সিরাজদিখান বাজার সমবায় মার্কেট চত্বরে উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একটি অংশ এই সমাবেশে অংশ গ্রহণ করে। দুই গ্রুপের কোন্দলে বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকায় সকাল থেকে অতিরিক্ত র‌্যাব পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের এই অংশটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন লতব্দি ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ মো. ফজলুল হক ও যুবলীগ নেতা জাহিদ শিকদার। আরেকটি অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সোহরাব হোসেন।

লতব্দি ইউপি চেয়ারম্যান হাফেজ মো. ফজলুল হক জানান, লতব্দী ও বালুচর ইউনিয়নের বেশিরভাগ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মি, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিরা উপজেলা সাধারণ সম্পাদকের অপসারণ চেয়ে সকাল থেকে সিরাজদিখান বাজারে এসেছে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও স্বারকলিপি পেস করার জন্য উপস্থিত হয়। কারণ, সা. সম্পাদক সোহরাব হোসেনের জন্য অনেক নেতা কর্মীর জীবন ঝুকির মধ্যে, এলাকায় শান্তি বিরাজের লক্ষে তার অপসারণ দরকার। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে বিক্ষোভ করা হয়নি। কো অপারেটিভ মার্কেটে সমাবেশ করে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের নিকট স্বারক লিপি দেওয়া হয়েছে। তিনি স্বারক লিপি রিসিভ করেননি জানিয়েছেন এটা নিয়মে পরে না আমি কেন্দ্রে যোগাযোগ করব, জানান ফজলুল হক।

সিরাজদিখান থানার ওসি মো. ইয়ারদৌছ হাসান জানান, যুবলীগের একটি পক্ষ সমবায় মার্কেটে জমায়েত হচ্ছিল সা. সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার জন্য খবর পেয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ জুন বিআরডিবি নির্বাচনের নমিনেশন জমা নিয়ে দুই পক্ষের কোন্দল চলছিল। গত ৫ জুন যুবলীগের দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষে যুবলীগের দিলবার হোসেনসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়। দিলবারের শরিরে চাপাটি ও রামদায়ের কোপে গুরুতর জখম হয়ে এখনো ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ গেলেও এখনো কোন মামলা হয়নি।

উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সা. সম্পাদকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

বাংলাসংবাদ

Comments are closed.