পদ্মা সেতু : টেস্ট পাইল স্থাপন চলছে

দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মাসেতুর কাজ। বর্তমানে মূল সেতুর টেস্ট পাইল স্থাপন ও নদী তীর রক্ষায় ড্রেজিং কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব কাজে সার্বক্ষণিক মনিটরিংও করা হচ্ছে। প্রকল্পে যেন অনিয়ম না হয় সেদিকে নজর রাখছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এ অবস্থায় কাজের সার্বিক অগ্রগতি বিবেচনায় নির্ধারিত সময়সীমার আগেই পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ শেষ বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, মূল সেতু নির্মাণের জন্য পদ্মা নদীর ভেতর তিনটি ও তীরে আরও তিনটি মোট ছয়টি টেস্ট পাইল বসানোর কাজ চলছে। এরই মধ্যে দুইটি পাইলের কংক্রিট ঢালাই হয়ে গেছে। এগুলো লোড দিয়ে ধারণ ক্ষমতা পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে।

দুটি টেস্ট পাইলে লোহার তৈরি বৃত্তাকার খাঁচাও নামানো হয়েছে। বাকি দুটিতে কেচিং পাইপ ড্রাইভ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১০টি পরীক্ষামূলক পাইল বসানোর কথা রয়েছে।

আরো জানা যায়, সেতুর জন্য মোট ১৪২ স্থানে মাটি পরীক্ষার কাজ চলছে। ২৪টি স্থানের মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নদীভাঙন রোধে মাওয়ার দেড় কিলোমিটার এলাকায় কাজ চলছে। সেতুর অ্যালাইনমেন্ট অনুযায়ী পদ্মা নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে নাব্যতা বাড়াতে দেড় কিলোমিটার এলাকায় তিনটি ড্রেজার দিয়ে খনন কাজ চলছে। এ কাজ শেষ হলেই মূল সেতুর পিলার বসানোর কাজ শুরু হবে।

সোমবার (১১ মে) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, একদিকে মূল সেতুর টেস্ট পাইল বসানো, অন্যদিকে নদীতে ড্রেজিং, পাশাপাশি অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ চলছে। জাজিরা প্রান্তের তুলনায় মাওয়া প্রান্তের মূল সেতুর কাজ বেশি দৃশ্যমান।

তবে অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ মাওয়া প্রান্তের চেয়ে মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরায় বেশি এগিয়েছে।

এদিকে, সেতুর কাজ দ্রুতগতিতে চলতে থাকায় প্রতিদিন নির্মাণকাজ দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে আসছেন।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

Comments are closed.