বালিগাঁও-এ গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাট বালিগাও গ্রামের নুরু ইসলাম খানের বাড়ির ভাড়াটিয়া তানিয়া আক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধুকে নির্যাতনের পর হত্যা করেছে ঘাতক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে ঘাতক স্বামী অপু মিয়াসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়। এ সময় গ্রামবাসী শ্বাশুড়ী পারুল বেগমকে (৫০) আটক করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে।

অন্যদিকে টাঙ্গবাড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরীসহ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চালাচ্ছে।

গৃহবধু তানিয়া আক্তার মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আউটশাহী মুন্সীপাড়া গ্রামের কুরবান ছৈয়ালের মেয়ে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, ৫ মাস আগে শরীয়তপুর সদরে জামাল মিস্ত্রিও ছেলে অপু মিয়ার সঙ্গে বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে বালিগাওঁ বাজার সংলগ্ন নুরুল ইসলাম খানের বাড়িতে ভাড়া থাকতো গৃহবধু তানিয়া আক্তার। বিয়ের পর থেকেই স্বামী অপু নির্যাতন চালাতো।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে বেদম মারধর করে। এক পর্যায়ে স্বামীর নির্যাতন চালিয়ে স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে হত্যা করে। পরে লাশ ঘরে রেখে তালাবদ্ধ করে বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী অপু মিয়াসহ পরিবারের লোকজন পালিয়ে যায়।

টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মালেক পিপিএম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। কিভাবে এবং কি কারনে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে প্রাথমিক ভাবে তার তদন্ত করা হচ্ছে।

বাংলাপোষ্ট

Comments are closed.