বাসে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধিদের জন্য আসন সংরক্ষিত নেই

রাজধানী ঢাকার কাছের জেলা শহর মুন্সিগঞ্জ। ঢাকা জিরো পয়েন্ট থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরত্বের পথ। ঢাকা-মুক্তারপুর-মুন্সীগঞ্জ সড়ক। অর্থাৎ জেলা সদরে প্রবেশের যে রুট গুলো রয়েছে তারমধ্যে গুলিস্থান থেকে ফতুল্লা বাইপাস দিয়ে মুক্তারপুর ব্রীজ হয়ে কাচারী পর্যন্ত রাস্তাটিই এখন পর্যন্ত চলাচলের অন্যমত রাস্তা।

এই ব্যস্তময় রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার নারী পুরুষ, বৃদ্ধ-বনিতা, শিশু, প্রতিবন্ধিসহ শ্রেণি পেশার মানুষ নিজেদের দৈনন্দিন প্রয়োজন তথা ব্যবসা, বাণিজ্য, শিক্ষা-দিক্ষা ও অন্যানা নানা কারনে বাসে যাতায়াত করে থাকে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহনগুলোতে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধিদের জন্য প্রথম সারির ৯টি সিট রিজার্ভ রাখা এবং এ সংক্রান্ত একটি সুস্পষ্ট নোটিশ বাসের সামনের দিকে লাগানো থাকে।

কিন্তু মুন্সীগঞ্জ থেকে প্রতিদিন যে বাস পরিবহনগুলো যাত্রী আনা নেয়া করছে, এগুলোর কোনটিতে সংরক্ষিত সংক্রান্ত কোন নোটিশ চোখে পড়েনি। ৩/৪ টি কোম্পানির বাস রয়েছে মুন্সীগঞ্জ টু ঢাকা, যেগুলোতে প্রতিদিন শিশু, নারী ও প্রতিবন্ধিদের দাড়িয়ে কখনো কখনো পিছনে বসে আসতে হয়। পিছনে বসলে ও পথে নামার সময় ভিড়ের মধ্যে অনেক কষ্ট করতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা ও বেসকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও বাসগুলোতে যাতায়াতে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধিরা বঞ্চিত হচ্ছে এহেন সুযোগ থেকে। নারী বাধঁন আক্তার বলেন, এখানে সিট সংরক্ষণ না থাকায় নারীরা সাচ্ছন্দে চলতে পারছে না। এ বিষয়ে বাসের লোকজনকে কিছু জিঞ্জেস করতেই বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হচ্ছে। কাচারী থেকে চলমান কুসুম পরিবহন, দীঘিরপাড় ট্রান্সপোর্ট লাইনসহ অন্যান্য বাস সার্র্ভিসগুলোতে ৯টি সিট রিজার্ভ না রাখা প্রসঙ্গে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বলেন, নারী ও প্রতিবন্ধি যাত্রীদের সিট সংরক্ষণ নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জেরকাগজ

Comments are closed.