খুন করা হয়েছে টঙ্গীবাড়ীর কলেজ ছাত্র ছাত্তারকে, সড়ক দূর্ঘটনা নয়!

আদালতের নির্দেশে মৃত্যূর প্রায় ৪ মাস পর কবর হতে লাশ উত্তেলন করে টঙ্গীবাড়ীর রানা শফিউল্লাহ কলেজের মেধাবী ছাত্র সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যূ নয় খুন করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত রির্পোটে প্রকাশ পেয়েছে। এর আগে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের ময়নাতদন্ত রির্পোটে সড়ক দূর্ঘটনায় ছাত্তার মারা গেছে বলে প্রকাশ পেয়েছিলো। জানাগেছে, উপজেলার বেশনাল গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আ.মান্নান দেওয়ানের ছেলে রানা শফিউল্লাহ কলেজের মেধাবী ছাত্র ছাত্তার গত ৪ই অক্টোবর সন্ধা ৬টার বন্ধু আল আমিনকে নিয়ে মটর সাইকেল যোগে নিজ বাড়ি হতে বের হয়। ঐ দিন রাত ৯টার সময় কামারখাড়া নশংকর সংযুক্ত ব্রীজের উত্তর পাশে ছাত্তারের লাশ দেখে এলাকাবাসী উদ্বার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার মৃত্যু বলে জানান।

এই ব্যাপারে ছাত্তারের বাবা আ.মান্নান দেওয়ান বাদী হয়ে আলআমিন সহ ৪/৫জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আলআমিনকে গ্রেফতার করে। মান্নান দেওয়ান জানান, আমার ছেলেকে অন্য কোথাও খুন করে ব্রীজের পাশে রেখে গেছে আলামিনসহ অন্যান্য দূর্বত্তরা। পরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মুন্সীগাঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের রির্পোট অন্য দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পূর্ণরায় ময়না তদন্তের বিরুদ্বে নারাজী দেওয়া হলে আদালত লাশ কবর থেকে উত্তোলনের করে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার দিয়ে পুর্নরায় ময়না তর্দন্তের জন্য নির্দেশ দেয়। গত ২৫শে জানুয়ারী ম্যাজিট্রেট সহ প্রসাশনের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরে ঢাকা ম্যাডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার সম্প্রতি যে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয় তাতে দেখা যায় কলেজ ছাত্র ছাত্তারকে খুন করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয় একটি সুবিদাবাদী মহল টাকার বিনিময়ে বিষয়টি অন্য খাতে নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের । বর্তমানে নিহত কলেজ ছাত্র ছাত্তারের পরিবার আতঙ্কে বসবাস করছে। ছাত্তারের খুনি আসামী আলআমিন গত ১০ই ফেব্রুয়ারী জামিন বের হয়ে পূর্ণরায় ছাত্তারের বড়ির সামনে ঘুরা ফেরা ও প্রকাশে বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখিয়ে আসছে বলে নিহতের পরিবার জানান।

বিক্রমপুর চিত্র

Comments are closed.