কাজী কসবা গ্রামে প্রতিপক্ষ হামলায় নারীসহ আহত ৮

সুমিত সরকার সুমন: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার কাজী কসবা গ্রামে সালিশ বৈঠক চলাকালে সন্ত্রাসী হামলায় যুবলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীসহ ৮ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় গুলিবর্ষনে শব্দে কাজীকসবা গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ফলে সালিশ বৈঠক পন্ড হয়ে যায় বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছেন। বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে হামলায় আহত পঞ্চসার ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহ সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন খান (৪৫), যুবলীগ কর্মী আখতার হোসেন (৩৪), রিপন মেম্বার (৬৫), হ্রদয় (২৪), বাচ্চু খান (৪৬), ও রেহানা বেগমকে (৩২) মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়া জানায়, মেয়ে সংক্রান্ত ঘটনা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যাপর সদর উপজেলার কাজীকসবা গ্রামের কালু মিয়ার বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। এ সময় মেয়ের পক্ষের লোকজন শহরের নয়াগাওঁ এলাকা থেকে সালিশ বৈঠকে উপস্থিত হলে এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা তাদের উপর হামলা চালায় এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করে রাখে।

এ খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ শহর ও নয়াগাওঁ এলাকা থেকে অর্ধ শতাধিক যুবলীগ নেতাকর্মী কাজীকসবা গ্রামে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষনের ঘটনা ঘটলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে যুবলীগ কর্মীরা পুলিশের কাছে বিচার দাবী করে ফিরে যায়।

জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান রাজীব জানান, সালিশ বৈঠকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজুর পক্রিয়া চলছে।

এ প্রসঙ্গে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের ফকির মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান নিয়ে ঘটনার বিস্তারিত খোজঁখবর নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বিডিলাইভ

Comments are closed.