প্রাথমিক সমাপনীতে মুন্সীগঞ্জের ৫৭৯ জনের বৃত্তিলাভ

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃত্তির ফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার
সারাদেশে এ বছর প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছে ৫৪ হাজার ৪৮১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২১ হাজার ৯৮৩ জন এবং সাধারণ কোটায় ৩২ হাজার ৪৯৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃত্তির ফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে রোববার এ ফল ঘোষণা করা হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও বৃত্তির ফল জানা যাবে। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের এসএমএস অপশনে গিয়ে DPE লিখে স্পেস দিয়ে থানা কোড লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে।

এর আগে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের আলাদা পরীক্ষা নিয়ে বৃত্তি দেওয়া হলেও ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

২০১৪ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক সমাপনীর ফল গত ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকে ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৭৮১ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে পাস করেছে ২৬ লাখ ২৮ হাজার ৮৩ জন। মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৪১১ জন।

২০১১ সালের আগে প্রাথমিকে মেধা ও সাধারণ কোটা মিলিয়ে মোট ৫০ হাজার বৃত্তি দেওয়া হতো। এর মধ্যে মেধাবৃত্তি ছিল ২০ হাজার ও সাধারণ কোটায় ৩০ হাজার। ২০১১ সালে বৃত্তির সংখ্যা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫৫ হাজারে উন্নীত করা হয়। এরপর প্রতি বছরই সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকলেও বৃত্তির পরিমাণ আর বাড়েনি।

মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থী প্রতি মাসে সরকারের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে বছরে দুই হাজার ৪০০ টাকা ও সাধারণ কোটায় প্রতি মাসে ১৫০ টাকা করে বছরে এক হাজার ৮০০ টাকা পেয়ে থাকে। তিন বছর পর্যন্ত এ সুবিধা তারা পায়। এ ছাড়া তিন বছর পর্যন্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেকে প্রতি বছর এককালীন ১৫০ টাকা করেও পেয়ে থাকে।

রোল নাম্বারসহ জেলার পূনাংগ রেজাল্ট…

সমকাল

Comments are closed.