পঞ্চসার-বিসিক শিল্পনগরীতে ত্রাস ইমরানকে ঘিরে অজানা আতঙ্ক

মোজাম্মেল হোসেন সজল: ইমরান ও তার বাহিনীকে ঘিরে মুন্সীগঞ্জ শহর লাগোয়া পঞ্চসার-মুক্তারপুর-বিসিক শিল্পনগরী এলাকার মানুষের দিন কাটে এখন আতঙ্ক আর শঙ্কায়। এখানকার ৩৩টি গ্রামের অন্তত ৬৮ হাজার জনগোষ্ঠী ওই বাহিনীর কাছে জিম্মি হয়ে রয়েছেন। ইমরান বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়ে অনেকেই পঙ্গু জীবন যাপন করছেন। আবার কেউ বর্বরতার ক্ষতচিহ্ন নেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তার ব্যাপক চাঁদাবাজিতে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকরাও অসহায় দিনযাপন করছেন। বাধ্য হয়ে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এতে করে শহর লাগোয়া ধলেশ্বরী নদী সংলগ্ন পঞ্চসার ইউনিয়ন এলাকা সন্ত্রাসী ইমরান বাহিনীর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, পঞ্চসার-মুক্তারপুর-মালিরপাথর-বিসিক এলাকায় প্রকাশ্যেই চলছে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, রাহাজানি ও মাদক ব্যবসাসহ সব ধরণের অপরাধমূলক কর্মকা-। আর এসবের মূল নায়ক পঞ্চসারের মালিরপাথর গ্রামের নুরু মাদবরের ছেলে ডজনখানের মামলার আসামি ইমরান হোসেন। তার ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে রয়েছে এলাকাবাসীর বিস্তর অভিযোগ। তার আছে নিজস্ব বাহিনী। এই বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জন। এই বাহিনীর দিয়ে পঞ্চসার ইউনিয়নের ৩৩ টি গ্রাম ইমরান তার নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। ইমরান ও তার বাহিনীর কাছে অত্যাধনিক অস্ত্র থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজন প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলছেন। ফলশ্রুতিতে ইমরান বাহিনীর বর্বরতায় আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার-মুক্তারপুর-মালিরপাথর এলাকা।

ইমরান হোসেন

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ইমরান ও তার বাহিনীর পরিচিতি ঘটে পঞ্চসার এলাকায়। এরপর স্থানীয় আওয়ামী লীগের শেল্টারে একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকা- চালিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠে। দলীয় কোন পদ না থাকলেও যুবলীগ নামধারী ইমরান ও তার বাহিনীর হাতে খোদ আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীরা নির্যাতন-হামলা ও চাঁদার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া হামলা হচ্ছে স্থানীয় বিএনপি সমর্থকদের উপরও। ইমরান হোসেন মাদবর (৩৫) ও তার সহযোগিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হচ্ছে-তার ছোট ভাই স¤্রাজ (৩০), গোলাপরায় দিঘীর পাড় গ্রামের মুকুল হোসেন সরদার (৩৫), সেলিম সরদার (৩৮), মনু মিয়া সরদার (৩৬), জাবেদ মিয়া সরদার (৩৮) ও ডালিম চৌকিদার (৩৮)। এদের সবার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এদের মধ্যে ইমরানের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অস্ত্রসহ ডজনখানেক মামলা ও অসংখ্য জিডি রয়েছে মুন্সীগঞ্জ থানা ও আদালতে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হলেও আইনের ফাঁক-ফোঁকর দিয়ে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের তার অপরাধ সা¤্রাজ্যে আবার ফিরে যায়। গত মাস-দেড়েক আগে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরমুক্তারপুর ক্রাউন সিমেন্ট এলাকায় র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের হাতে আটক হয়ে গত ১০-১২ দিন আগে ইমরান জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকা দাবড়ে বেড়াচ্ছেন।

২০১৪ সালের (গত বছরের) ৯ ই নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মালিরপাথর গ্রামে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার ৫৬)-কে পিটিয়ে পঙ্গু করে দেয় ইমরান ও তার সহযোগিরা। আব্দুস সাত্তার পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আশোক আলীর ছোট ভাই।

ইমরান বাহিনীর হামলায় পঙ্গু আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সাত্তার

বর্তমানে পঙ্গু আব্দুস সাত্তার জানান, ওই দিন ইমরান ও তার সহযোগিরা তার মালিকানাধীন দয়ালবাজারের চঞ্চল ফিশিং নেট ফ্যাক্টরীতে ঢুকে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে ফ্যাক্টরী থেকে বের করে রাস্তায় ফেলে পিটিয়ে তার ডান পা ভেঙ্গে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন। সন্ত্রাসীরা তার ডান পা ভেঙ্গে চুর্ণবির্চুণ করে দেয়। বর্তমানে তিনি পঙ্গু জীবন যাপন করছেন। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৪ই নভেম্বর ইমরান বাহিনীর প্রধান ইমরানকে প্রধান আসামি করে স¤্রাজ, মুকুল হোসেন, সেলিম সরদার, মনু মিয়া, জাবেদ মিয়া ও ডালিম চৌকিদার এজাহারনামীয় আসামি করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলার বাদী হয়েছেন পঙ্গু আব্দুস সাত্তার।

একই বছরের ৭ ই নভেম্বর দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে পূর্ব শক্রতার জের ধরে মালিরপাথর গ্রামের সদর উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়ার বাড়িতে একই বাহিনী হামলা চালায়। এ সময় বাদশা ছোট ভাই মনির হোসেন (৪২) ও মো. সুমন (৩৫)-কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে মনির হোসেনের দু’টি হাত ভেঙ্গে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা বাড়ির দুই গৃহবধূকে মারধর করে স্বর্ণালঙ্কার ও ঘরে থাকা নগদ টাকাসহ মালামাল লুটে নেয়। এ ঘটনায় কৃষক লীগ নেতা বাদশা মিয়া বাদী হয়ে পরদিন ৮ ই নভেম্বর ইমরান বাহিনীর প্রধান ইমরানকে প্রধান আসামি করে স¤্রাজ, মুকুল, সেলিম, মনু মিয়া, জাবেদ মিয়া ও মিলনকে এজাহারনামীয় আসামি করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সাত্তার ও কৃষক লীগ নেতা বাদশা জানান, গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি রাতে মালির পাথর গ্রামে ইমরান বাহিনীর সদস্য গিয়াসউদ্দিন নিজের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। অথচ এর দায় থেকে রক্ষা পেতে আমাকে (বাদশা মিয়া পোদ্দার) ও আমার ছোট ভাই মামুন, দেলোয়ারসহ ৮ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে গিয়াসউদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম বাদী হয়ে গত ১৬ ই ফেব্রুয়ারি মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করে।

তারা আরও জানান, গত মাস-দেড়েক আগে ইমরানকে র‌্যাব-১১ চরমুক্তারপুরের ক্রাউন সিমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গত ১৪০১৫ দিন আগে জামিনে বেরিয়ে আবারও হামলা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি শুরু করেছে।

পঞ্চসার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আয়াত আলী দেওয়ান জানান, গত বছরের (২০১৪) ২৭ শে ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন চলাকালে মালিরপাথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী লোকজনের ওপর আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করেন ইমরান ও তার বাহিনী। এ সময় তিনি তার ছেলে মামুন দেওয়ান (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে মাঠিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
এসময় পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনার পর গত বছরের ৩ রা এপ্রিল চিকিৎসা শেষে ইমরান ও তার ছোট ভাই স¤্রাজসহ ১১ জনকে আসামি করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেছেন বলে তিনি জানান।

ইমরান বাহিনীর হামলায় গুলিবিদ্ধ ও ছুরিকাহত বিএনপি নেতা আয়াত আলী দেওয়ান মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে ২০১০ সালের ১ লা মার্চ রাত ৭টায় ফিরিঙ্গিবাজার তার মালিকানাধীন চিশতিয়া রাইস মিলে ইমরান ও তার বাহিনীর সদস্যরা তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় বাঁধা দিতে এলে যুবদল নেতা সোলাইমান (৪৫)-কেও কুপিয়ে জখম করা হয়। দীর্ঘদিন তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ঘটনায় পরদিন ২রা মার্চ ইমরানকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় চাঁদাবাজি ও হত্যা প্রচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। ইমরান ও নাছির ভা-ারি গং-কে ১ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় এ ঘটনা ঘটানো হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, স্থানীয়রা জানান, ২০১০ সালের ১৯ শে আগস্ট দুপুরে মুক্তারপুরস্থ চীনমৈত্রী সেতুর ঢালে টেম্পোস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ইমরান বাহিনীর গুলিতে প্রতিপক্ষের দেলোয়ার (৩৯) গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় আহত হয় আরও ৯ জন। গুলিবিদ্ধ দেলোয়ারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে চাঁদার দাবিতে মালিরপাথরের মোখলেস ফিশিং নেট নামে একটি কারখানা বন্ধ করে দেয় ইমরান-মিরাজ গং। পরে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে কারখানাটি খুলে দেয়া হয়।

২০০৯ সালের ১৬ই নভেম্বর বিকাল ৩টায় পঞ্চসার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রহিম মেম্বার ও তার সঙ্গী মোমেন ২টি মোটরসাইকেল দিয়ে মুক্তারপুর বিসিক মাঠে পৌঁছলে ইমরান ও তার বাহিনীর হামলা করে। রহিম মেম্বারকে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ফেলে তারা। এ ঘটনায় পশ্চিম মুক্তারপুরের মোমেন বাদী হয়ে ইমরান, হোসেন, শাহীন, সুমন, আনিস, আলী, মাসুমসহ কয়েকজনের নামে থানায় মামলা করেন।

ইমরান বাহিনীর হামলায় মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন মামুন দেওয়ান

মুক্তারপুর উজালা ফিশিং নেট ইন্ডাস্ট্রিজে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে ইমরান বাহিনী। চাঁদা না দেয়ায় ২০০৯ সালের ২৭ শে আগস্ট ওই ফিশিং নেট-এর গোডাউন থেকে এক বস্তা জাল মুক্তারপুর বোরাক এন্টারপ্রাইজের নেয়ার পথে বাহকে মারধর করে জাল লুটে নেয়। এ ঘটনায় ফিশিং নেট-এর মালিক ফারুক দেওয়ান বাদী হয়ে ইমরান, বাবু, জাকির,সাইফুল ও পরাণের নামে মুন্সীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

২০০৯ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বও মালিরপাথর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের কাছে ৬ লাখ টাকার জাল চুরি করে নিয়ে যায় তারা।

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ডিঙ্গাভাঙায় অজিত ডাক্তারের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ইমরান গং।

এর আগে ২০০৮ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর রাত ১১টায় মুক্তারপুর পান্না সিনেমা হলের সামনে বিএনপি সমর্থিতদের মালিকানাধীন ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইনের (ডিটিএল) ২টি বাস পুড়িয়ে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, ইমরান বাহিনী ঢাকা ট্রান্সপোর্ট লাইনের ক্যাশিয়ার খোকনকে মুক্তারপুর সেতুর ঢালে মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেয়।

ওদিকে, শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত পঞ্চসার-মুক্তারপুর ও তার সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গণহারে চাঁদাবাজি চলছে। পঞ্চসার ইউনিয়নের মধ্যেই ৫টি সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, ৭-৮টি কোল্ড স্টোরেজ, ২ টি পেপার মিল, ৩টি টেক্সটাইল মিল, ১টি ম্যাচ (আকিজ) ফ্যাক্টরী, কয়েকটি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরী, ছোট-বড় মিলে কারেন্ট জালসহ তেরীসহ শতাধিক ফিশিং নেট ফ্যাক্টরী, ৬০-৭০টি রাইস মিল, ৪-৫টি প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ২টি বিদুৎ উপকেন্দ্রসহ প্রায় ৫ শতাধিক ছোট-বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে নানা কায়দায় চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া ইমরান ও নাছির ভান্ডারির নেতৃত্বে মালিরপাথরে ইয়াবা, বিদেশী বিয়ার ও ফেনসিডিলের ব্যবসা রমরমাভাবে চলছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের ফকির জানান, সেখানে দু’টি পক্ষ রয়েছে। দু’টি পক্ষই খারাপ শ্রেণীর। ইমরান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে সদর থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ বার্তা

Comments are closed.