গজারিয়াবাসীর দাবী : উপজেলা সড়ক পথের ব্যবস্থা

মো: শাহাদাত হোসেন সাইমন: দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৩ বছর আগে আর এখন স্বাধীন দেশের পালে লেগেছে উন্নয়নের হাওয়া তবে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার এ দৃশ্যটি দেখলেই মনে হবে এখানে হয়নি কাক্ষিত উন্নয়ন। ঢাকার এত কাছে হওয়া সত্বেও এখানকার মানুষরা অনেকটাই অবহেলিত। আজও তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে পাড়ি দিতে হয় ফুলদী নদী আর ট্রলারের জন্য অপক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। নদীর উভয় পাশে রয়েছে জন গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সরকারি অফিস ও স্কুল, সরকারী কলেজ, মাদ্রাসা সহ পাচঁটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০০(চাঁর হাজার) ছাএ/ছাএীসহ প্রতিদিন প্রায় ২০০০০ (বিশ হাজার) লোককে বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হয় ফুলদী নদী। আর তাদের পারাপারের এক মাএ মাধ্যম দুইটি ট্রলার। অতিরিক্ত যাএীর পরিবহনের কারণে ট্রলার ডুবির ঘটনা এখানে নতুন নয়। ছাএ/ছাএীদের পরীক্ষার সময় গুলোতে তাদের পোহাতে হয় বাড়তি ঝামেলা, অনেক সময় কাউকে কাউকে জীবনের ঝুকি নিয়ে ছোট নৌকায় পাড় হতে হয় এই নদী।

নদীর উভয় পাশে রয়েছে জন গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সরকারি অফিস ও স্কুল, সরকারী কলেজ, মাদ্রাসা সহ পাচঁটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০০(চাঁর হাজার) ছাএ/ছাএীসহ প্রতিদিন প্রায় ২০০০০ (বিশ হাজার) লোককে বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হয় ফুলদী নদী। আর তাদের পারাপারের এক মাএ মাধ্যম দুইটি ট্রলার। অতিরিক্ত যাএীর পরিবহনের কারণে ট্রলার ডুবির ঘটনা এখানে নতুন নয়। ছাএ/ছাএীদের পরীক্ষার সময় গুলোতে তাদের পোহাতে হয় বাড়তি ঝামেলা, অনেক সময় কাউকে কাউকে জীবনের ঝুকি নিয়ে ছোট নৌকায় পাড় হতে হয় এই নদী।

বি.আই.ডাব্লিও.টি.এ সরকারি গাড়ি পারাপারের জন্য একটি ফেরির ব্যাবস্হা করলেও তার সেবার মান নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন তারই প্রমান মিলল ফেরিঘাটটিতে পরিদর্শন করে। বহুদিনের পুরানো জরাজীর্ণ এই ঘাটে মানুষ উঠলেও ভয় করবে গাড়ি উঠবে কি করে?

জনগন এখন আর শুধু প্রতিশ্রুতি নয় পতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায়। তাদের একটাই দাবি সরকার যাতে এই বিষয়টি আমলে নিয়ে দুই পারের মানুষে দুঃখ দুর্দশার কথা চিন্তা করে দ্রুততম সময়ে মধ্যে তাদের জন্য একটি সেতু নির্মাণ করে দেয়।

এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত সহ সকল প্রকার সমস্যার সমাধান চায় উপজেলাটির সর্বস্থরের জনগন। ট্রলারের অপেক্ষায় বসে থেকে প্রায়ই ক্লাস মিস হয়, বেশী সমস্যা হয় যখন পরীক্ষা থাকে। খারাপ আবহাওয়া থাকলে অনেক ঝুকি নিয়ে পাড় হতে হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সদরের সাথে ভালো যোগাযোগ থাকলে গজারিয়ার ব্যবসায়ি পন্য আদান প্রদানে উভয় উপজেলার লোক জন উপকৃত হতো। গত নির্বাচনে উপজেলায় পদ প্রার্থীরা বিভিন্ন আশার বানী শুনালেও বাস্তাবে তার কোন মিল হয় নি কখনও। এখন গজারিয়া বাসীর একটাই দাবী সদরের সাথে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা।

গজারিয়া নিউজ

Comments are closed.