টিআই’কে চাঁদা দিয়েই লঞ্চ ছাড়তে হয় : শিমুলীয়া লঞ্চঘাট

ঢাকা মাওয়া মহা সড়কের অন্যতম দক্ষিন বঙ্গের এক মাত্র প্রবেশ দ্বার নদী বন্দর এলাকা মাওয়া শিমুলীয়া ঘাট। আর অভিযোগ উঠেছে এই ঘাটে চাঁদা আদায়ের। আর অভিযোগটি বিআইডাব্লিউটিএর টি আই (ট্রাফিক ইন্সপেক্টর) মোঃ রিয়াদ এর বিরুদ্ধে।

প্রতি মাসে শিমুলিয়ার এই নদী পথের লঞ্চ পল্টুনে অবৈধ চাঁদা আদায় হচ্ছে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। দেখার যেন কেউ নেই। একাদিক লঞ্চ মালিকদের অভিযোগ শিমুলীয়া -কাওরাকান্দি ও মাঝি কান্দি এ তিন পাড়ে অবৈধ চাঁদা আদায় করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত টিআই রিয়াদ। ২শ’ থেকে ৫শ’টাকা করে প্রতিটি লঞ্চ থেকে প্রতিদিন এই চাদা আদায় করা হচ্ছে।

মাওয়া ঘাটের লঞ্চ মালিকরা জানান, অভিনব কায়দায় চাদা আদায় করছে ( টিআই) ট্রাফিক ইন্সপেষ্টার রিয়াদ হোসেন মাওয়া- কাওড়াকান্দি মাঝি কান্দি নৌ রুটে চলাচল রত ৭৯ টি লঞ্চ থেকে । যাত্রীরা লঞ্চে উঠা শেষ হলে কেরানিকে ডেকে পল্টুনে থাকা নিজের অফিস কক্ষে এনে ২শথেকে -৫শ টাকা চাদা দাবিকরে তারা কেউ টাকা না দিতে চাইলে তাদের লঞ্চের কাগজপত্রে ক্রটি আছে বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও বেশি টাকা আদায় করে।

আবার কিছু লঞ্চ মালিকের সাথে তার সম্পক ভাল থাকায় তাদের লঞ্চের কাগজপত্র ক্রটি থাকলে ও তারা রিয়াদ হোসেনর সাথে সম্পক ভালো থাকায় তাদের চাদা দিতে হয়না।

নিরীহ লঞ্চ মালিকরা জানান, প্রতিটি টিপ থেকে রিয়াদ হোসেন কে টাকা দিতে হবে বলে সকল লঞ্চ মালিকে বলে দিয়েছেন। যারা টাকা দিবেন না তাদের লঞ্চের কাগজপত্রে ক্রটি আছে বলে মালিকদের দায় নিতে হবে। এ কারনে সহজে কোন লঞ্চ মালিক মুখ খুলতে চায়না।

এ বিষয়ে টিআই রিয়াদ হোসেন সাথে কথা বলে তিনি জানান, এ সব বিষয় সব মিথ্যা এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা, কাগজপত্র ও সিরিয়াল একটু কড়াকড়ি করি তাই তারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।

বাংলাপোষ্ট

Comments are closed.