বরযাত্রী এলোনা, বিয়ের অনুষ্ঠান হলো!

ডিএম বেলায়েত শাহিন: টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া গ্রামে প্রতারনামূলকভাবে শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এক দরিদ্র পিতাকে সর্বশান্ত করা হয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে নিজের শেষ সম্বল ভিটে বাড়ির ২ শতাংশ জমি ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করে এই আয়োজন করলেও বর এবং বরযাত্রী না আসায় মেয়েকে নিয়ে চরম বিপাকে পরেছে উক্ত কন্যা দায়গ্রস্থ পিতা।

এ ঘটনায় কনের আতিœয় স্বজন ও এলাকাবাসীর মনে তিব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। জানাগেছে, গত ১৩ অক্টোবর ২০১৪ইং তারিখে উপজেলার যোগানিয়া গ্রামের আলিম হাওলাদার এর মেয়ে নাজমা আক্তার এর সাথে প্রতিবেশী কাশেম দেওয়ান এর ছেলে হাতেম দেওয়ানের সামাজিকভাবে রেজেষ্ট্রি কাবিনমূল্যে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে রেজেষ্ট্রি হয়। বিয়ের পরে কনের পিতার কাছে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে বরের মা হাসি বেগম। পরে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে কনের পিতা উক্ত ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দিতে নিজের শেষ সম্বল তার বসত বাড়িটি বিক্রি করে দেয়।

হাতেম

এরপর গত ২ ফেব্রুয়ারী যোগানিয়া গ্রামের আলমগীর সৈয়াল এর মাধ্যমে সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ছেলের বাবা কাশেম দেওয়ান সিংগাপুর প্রবাসী হওয়ায় তার অবর্তমানে মা হাসি বেগম শুক্রবার বিয়ের দিন তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত তারিখে মেয়ের বাবা প্রায় ৪ শত জন লোকের আয়োজন করলে গ্রামবাসী ও মেয়ের আতœীয় স্বজন সবাই আসলেও বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রী না এসে ছেলের মা হাসি বেগম ও তার পরিবার বিয়ের আগের দিন বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে আতœগোপন করে।

নাজমা

পরে বিয়ের মাধ্যমকারী আলমগীর ও ছেলের মায়ের আতিœয় স্বজনরা বরপক্ষকে জানায়, বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বিয়ের দিনে তারা বরযাত্রী নিয়ে কন্যাকে তুলে নিয়ে যাবে। কিন্তু শুক্রবার দফায় দফার বরের মা এবং বরপক্ষের আতিœয় স্বজন এর মোবাইলে বার বার তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

পরে বিয়ে মাধ্যমকারী আলমগীর সৈয়াল এর মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সে সাংবাদিকদের জানান, বরের মা হাসি বেগম একজন দুষ্টপ্রকৃতির মহিলা। সে নিজেই বিয়ের দিন তারিখ ধায্য করে এখন আতœগোপন করে আছে। সে আরো জানায়, বরের মা মোবাইলে আমাকে দুই লক্ষ টাকা কনের পিতার কাছ হতে নিয়ে যেতে বলছে পরে মেয়ে তুলে নিবে।

এ ব্যাপারে বারের মায়ের মোবাইলে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। মেয়ের বাবা আলিম হাওলাদার জানান, ওদের কথা মতো আমি আমার সবকিছু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। এখন আমার মেয়ের বিয়েও দিতে পারলামনা নিজের বাড়িটুকুও হারালাম। কনে নাজমা আক্তার জানান, বিয়ের পর আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করলেও ২ মাস যাবৎ আমার বর হাতেম কোন যোগাযোগ করছেনা।

এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বিক্রমপুর চিত্র

=================

কনের বাড়িতে এলো না বর এবং বরযাত্রী!

সুমিত সরকার সুমন: টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া গ্রামে প্রতারনামূলকভাবে শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এক দরিদ্র পিতাকে সর্বশান্ত করা হয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে নিজের শেষ সম্বল ভিটে বাড়ির ২ শতাংশ জমি ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করে এই আয়োজন করলেও বর এবং বরযাত্রী না আসায় মেয়েকে নিয়ে চরম বিপাকে পরেছে উক্ত কন্যা দায়গ্রস্থ পিতা। এ ঘটনায় কনের আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানাগেছে, গত ১৩ অক্টোবর ২০১৪ইং তারিখে উপজেলার যোগানিয়া গ্রামের আলিম হাওলাদার এর মেয়ে নাজমা আক্তার এর সাথে প্রতিবেশী কাশেম দেওয়ান এর ছেলে হাতেম দেওয়ানের সামাজিকভাবে রেজেষ্ট্রি কাবিনমূল্যে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে রেজেষ্ট্রি হয়।

বিয়ের পরে কনের পিতার কাছে ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে বরের মা হাসি বেগম। পরে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে কনের পিতা উক্ত ২ লক্ষ টাকা যৌতুক দিতে নিজের শেষ সম্বল তার বসত বাড়িটি বিক্রি করে দেয়। এরপর গত ২ ফেব্রুয়ারী যোগানিয়া গ্রামের আলমগীর এর মাধ্যমে সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ছেলের বাবা কাশেম দেওয়ান সিংগাপুর প্রবাসী হওয়ায় তার অবর্তমানে মা হাসি বেগম শুক্রবার বিয়ের দিন তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত তারিখে মেয়ের বাবা প্রায় ৪ শত জন লোকের আয়োজন করলে গ্রামবাসী ও মেয়ের আত্মীয় স্বজন সবাই আসলেও বিয়ের অনুষ্ঠানে বরযাত্রী না এসে ছেলের মা হাসি বেগম ও তার পরিবার বিয়ের একদিন আগে বাড়ি থেকে আত্মগোপন করে।

পরে বিয়ের মাধ্যমকারী আলমগীর ও ছেলের মায়ের আত্মীয় স্বজনরা বরপক্ষকে জানায়, বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বিয়ের দিনে তারা বরযাত্রী নিয়ে কন্যাকে তুলে নিয়ে যাবে। কিন্তু শুক্রবার দফায় দফার বরের মা এবং বরপক্ষের আতিœয় স্বজন এর মোবাইলে বার বার তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। পরে বিয়ে মাধ্যমকারী আলমগীর এর মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সে সাংবাদিকদের জানান, বরের মা হাসি বেগম একজন দুষ্টপ্রকৃতির মহিলা সে নিজেই বিয়ের দিন তারিখ ধায্য করে এখন আত্মগোপন করে আছে।

সে আরো জানায়, বরের মা মোবাইলে আমাকে দুই লক্ষ টাকা কনের পিতার কাছ হতে নিয়ে যেতে বলছে পরে মেয়ে তুলে নিবে। এ ব্যাপারে বারের মায়ের মোবাইলে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। মেয়ের বাবা আলিম হাওলাদার জানান, ওদের কথা মতো আমি আমার সবকিছু বিক্রি করে মেয়ের বিয়া ঠিক করেছিলাম এখন আমার মেয়ের বিয়েও দিতে পারলামনা নিজের বাড়িটুকুও হারালাম। কনে নাজমা আক্তার জানান, বিয়ের পর আমার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করলেও ২ মাস যাবৎ আমার বর হাতেম কোন যোগাযোগ করছেনা।

বিডিলাইভ
========

বিয়েতে কনের বাড়িতে এলো না বরযাত্রী!

শেখ মো. রতন: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার যোগানিয়া গ্রামে প্রতারণামূলকভাবে শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এক দরিদ্র পিতাকে সর্বশান্ত করা হয়েছে।

মেয়ের বিয়ের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে নিজের শেষ সম্বল ভিটে বাড়ির দুই শতাংশ জমি দুই লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে এই আয়োজন করে মেয়ের বাবা আলিম হাওলাদার। অনুষ্ঠানে বর এবং বরযাত্রী না আসায় মেয়েকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। এ ঘটনায় কনের আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানাগেছে, গত ১৩ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে উপজেলার যোগানিয়া গ্রামের আলিম হাওলাদারের মেয়ে নাজমা আক্তারের সঙ্গে প্রতিবেশী কাশেম দেওয়ানের ছেলে হাতেম দেওয়ানের সামাজিকভাবে রেজিস্ট্রি করে বিযে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে দেনমোহর হিসেবে চার লাখ টাকা কাবিন করা হয়। বিয়ের পরে মেয়ের বাবার কাছে দেুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে বরের মা হাসি বেগম। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে কনের বাবা দুই লখি টাকা যৌতুক দিতে নিজের শেষ সম্বল তার বসত বাড়িটি বিক্রি করে দেন।

এরপর গত ২ ফেব্রুয়ারি যোগানিয়া গ্রামের আলমগীরের মাধ্যমে সমাজের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ছেলের বাবা কাশেম দেওয়ানে এবং সিংগাপুর প্রবাসী ছেলের অবর্তমানে মা হাসি বেগম আজ শুক্রবার বিয়ের অনুষ্ঠানের দিন তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত তারিখে মেয়ের বাবা প্রায় চারশ জন লোকের খাওয়ার আয়োজন করেন। তবে এ অনুষ্ঠানে গ্রামবাসী ও মেয়ের আত্মীয়-স্বজন সবাই আসলেও বরযাত্রী হিসেবে কেউ আসেননি। বরং বরের মা হাসি বেগম ও তার পরিবার বিয়ের একদিন আগে আত্ম গোপন করে।

শুক্রবার দফায় দফায় বরের মা এবং বরপক্ষের আত্মীয়-স্বজনদের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। পরে বিয়ে মাধ্যমকারী আলমগীরের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বরের মা হাসি বেগম একজন দুষ্ট প্রকৃতির মহিলা। তিনি নিজেই বিয়ের দিন তারিখ ধার্য্য করে এখন আত্ম গোপন করে আছেন।

তিনি আরো জানান, বরের মা তাকে মোবাইল করে জানিয়েছেন, সে যেনো মেয়ের বাবার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে যান। পরে কনে তুলে নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে বরের মায়ের মোবাইলে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জল ছল ছল চোখে মেয়ের বাবা আলিম হাওলাদার বলেন, ‘ওদের কথামতো আমি আমার সবকিছু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছিলাম। এখন আমার মেয়ের বিয়েও দিতে পারলাম না, নিজের বাড়িটুকুও হারালাম।’

কনে নাজমা আক্তার বলেন, ‘বিয়ের পর আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করলেও গত দু্ই মাস যাবৎ বর হাতেম কোনো যোগাযোগ করছেন না। ফোন দিলেও ফোন ধরেন না তিনি।

রাইজিংবিডি

Comments are closed.