গ্রেফতারি পরোয়ানাঃ এসপি হাবিবসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে

মুন্সীগঞ্জের প্রত্যাহারকৃত এসপি হাবিবের স্ত্রী হালিমা আক্তারের দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় (নং ৬৩৯/২০১৪) পুলিশ সুপার হাবিবসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে বরগুনার আদালত।

সোমবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বজলুর রহমান এ আদেশ দেন।

নানা অনিয়ম, দুর্নীতি আর অনৈতিক কর্মকান্ডের দায়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা থেকে গত বছরের ২ এপ্রিল তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

মামলার বিবরণীতে এসপি হাবিবের স্ত্রী হালিমা আক্তার উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এসপি হাবিব বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের জন্য তাকে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। তিরি আরও উল্লেখ করেন, মুন্সিগঞ্জ থেকে সাময়িক বরখাস্তের পর এসপি পদে পুনর্বহাল থাকতে উচ্চ মহলে তদবীরের জন্য ত্রিশ লাখ টাকা চেয়ে স্ত্রী হালিমা ও তার বাবা শামসুল হককে চাপ দিতে থাকেন। যৌতুকের টাকা দিতে অসমর্থ হওয়ায় গত ১১ জুলাই এসপি হাবিবের পিতার বাড়িতে স্ত্রী হালিমাকে মারধর করেন এসপি হাবিব ও তার ভাই আবু হানিফসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এ অভিযোগে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ছয় জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন হাবিবের স্ত্রী হালিমা আক্তার।

মামলার অন্য আসামিরা হলো; এসপি হাবিবের ভাই মো. আবু হানিফ, মো. ইব্রাহিম হাওলাদার, মো. আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা, মো. জহিরুল ইসলাম, মোসা. আমেনা বেগম।

আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্যে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নোমান মাইনুদ্দীনকে দায়িত্ব দেন। তদন্ত শেষে গত ৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় ঘটনার কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হালিমা বেগম ১৯ জানুয়ারি নারাজি পিটিশন দাখিল করলে আদালত তা আমলে নিয়ে সকল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

শীর্ষ নিউজ

Comments are closed.