পদ্মা সেতুর নির্মাণ শেষ হবে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর

বহুল আলোচিত পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর সম্পন্ন হবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ফাস্ট ট্রাক মনিটরিং কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নাধীন ৬টি বড় প্রকল্পে আরও নতুন দুটি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রকল্প দুটি হলো মাতারবাড়ি আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোলফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট এবং পায়রা বন্দর প্রকল্প।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি এ কে এম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে ইতোপূর্বে নেওয়া ৬টি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং মাতারবাড়ি পাওয়ার প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রী স্ব-স্ব দায়িত্ব যথাযথ পালনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন।

বৈঠকে জানানো হয়, বহুল আলোচিত পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর সম্পন্ন হবে।

এতে জানানো হয়, জাজিরা ও মাওয়া সাইডে পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ, সার্ভিস এরিয়া-২, রিভার ট্রেনিং ওয়ার্ক, রিভার ব্যাংক প্রটেকশন ওয়ার্ক, ভ’মি অধিগ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে প্লট হস্তান্তর কাজ চলছে। পাশাপাশি দুটি পয়েন্টে মূল সেতুর জিওটেকনিকেল ইনভেস্টিগেশন কাজ শুরু হয়েছে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, জাজিরা সাইডে সংযোগ সড়কের ৩০ শতাংশ কাজ, মাওয়া সাইডে সংযোগ সড়কের ২০ শতাংশ কাজ, সার্ভিস এরিয়া-২ এর ১৫ শতাংশ কাজ, মূল সেতুর ১.৫ শতাংশ কাজ, ভূমি অধিগ্রহণের ৯৯ শতাংশ কাজ এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি মূল সেতুর তদারকি কাজ এবং রিভার ট্রেনিং কাজ চলছে।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু,পরিকল্পনা মন্ত্রী এএইচএম মোস্তফা কামাল,সেতু ও পরিবহন বিয়ষক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের,নৌপরিরবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমার ডিলু,প্রধানমন্ত্রীর খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী,বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপু ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক পাওয়ার প্লান্টের অগ্রগতি, ঢাকা মাস র্যা পিড ট্রানজিট প্রকল্পের অগ্রগতি, কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়ে অগ্রগতি, রামপালে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্প, কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

বাসস