মোবারক ও রফিক হত্যা: 'দুর্ধর্ষ' বাবু তিন দিনের রিমান্ডে

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে চাঞ্চল্যকর আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন খান হত্যা এবং ওই মামলার অন্যতম পরিচালনাকারী যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহাবুদ্দিন খান বাবুকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জ আদালতে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নার্গিস ইসলাম এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লৌহজং থানার এসআই হযরত আলী জানান, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত বৃহস্পতিবার আসামি বাবু আদালতে আত্মসমর্পণ করে। তিনি জানান, ২০১২ সালের ১৮ আক্টোবর আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন খানকে তাঁর ঘরের সামনে গুলি করে হত্যা এবং ২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে অপহরণের পর পায়ের রগ কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই দুই মামলার প্রধান আসামি শাহাবুদ্দিন খান বাবু। এরই মধ্যে সে মোবারক হোসেন খান হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছে। মোবারক হত্যা মামলায় জামিন পেয়ে শাহাবুদ্দিন নির্মমভাবে হত্যা করে যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে।

লৌহজং থানার এসআই হযরত আলী জানান, নিরীহ বাদীপক্ষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। পুলিশ যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আসামিপক্ষ এতটাই দুর্ধর্ষ যে বাদীপক্ষের পুরনো শঙ্কা কাজ করছে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরও জামিন পেয়ে এসে আরেকজনকে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে অপহরণ করে মাইক্রোবাসের ভেতরে নির্যাতন করে হত্যার পর লাশ গুম করার চেষ্টাটি ছিল খুবই ভয়ংকর ও পরিকল্পিত।

কালের কন্ঠ