ঘন কুয়াশা, কনকনে শীতে ও শৈত্য প্রবাহের কারণে মুন্সীগঞ্জবাসী বিপর্যস্ত

ঘন কুয়াশা, কনকনে শীতে ও শৈত্য প্রবাহের কারণে মুন্সীগঞ্জবাসী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশায় দিনভর দেখা যাচ্ছে না এ জেলায় সূর্যের হাঁসি। কনকনে শীত আর বাতাসে সবাই শীতের তীব্রতায় বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে। জেঁকে বসা এই কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু ও বয়স্করা। ফলে ঠান্ডা জনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সবাই। হাসপাতালে বেড়ে চলেছে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা।

হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেমে আসা মৃদু শৈত্য প্রবাহ ও হিমেল হাওয়া বইছে দেশের সর্বত্রে। প্রচন্ড শীতে এ জেলার দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষের দূর্দশা বেড়ে চরম আকার ধারণ করছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা কেউ। শীত ও তীব্র শৈত্য প্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নদ-নদী সংলগ্ন শহর ও গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ।

গত ২/৩ দিন ধরে হঠাৎ শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আকস্মিক শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার ফলে শুধু মুন্সীগঞ্জ শহরবাসী নয়, প্রত্যন্ত গ্রামের ও জেলার সর্বস্থরের মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, মুন্সীগঞ্জের শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহ জুড়ে এ অবস্থা বিরাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। শীতের এই তীব্রতা অব্যাহত থাকলে এসব হত-দরিদ্র মানুষের জীবন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়াবিদরা।

এদিকে, শীত অনুভব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কষ্ট দেখা দিয়েছে নদ-নদী সংলগ্ন শহর ও প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের মাঝে। সরকারী, বে-সরকারী এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে শীতবস্ত্র না পাওয়ায় এসব মানুষেরা বহু কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত বিনারণের চেষ্টা করছেন।

এছাড়া, মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার যাত্রীদের একমাত্র চলাচলের নিরাপদ নৌ-রুট মাওয়া-শিমুলিয়া হয়ে কাওড়াকান্দি। গত কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার চাঁদরে আচ্ছন্ন হয়ে পদ্মানদী অববাহিকায় সকল নৌযান রাতে বন্ধ হয়ে পড়ে। কুয়াশা কেটে গেলে দিনে পদ্মানদীতে নৌযান চালাচল করছে। দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার যাত্রীদের দুর্ভোগের অন্তনেই। এর ফলে শিশু ও মহিলারা ঠান্ডা জনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এবিনিউজ