লৌহজংয়ে নবনির্মিত মাওয়া নদী বন্দর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংএ নবনির্মিত মাওয়া নদী বন্দর (শিমুলিয়া-রানীগাঁও) আনুষ্ঠানিক শুভউদ্বোধন করা হয়। আজ বেলা ১টায় উদ্বোধন করেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, এম.পি। এরপর বিআইডব্লিউটিএর আয়োজনে উদ্বোধনি অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াছমিন এমিলি, নৌ- পরিবহন মন্ত্রনালয় অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলাম।

বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মোঃ শামছুদ্দোহা খন্দকারের সভাপতিত্বে অন্যান্য অতিথিদের আরও উপস্থিত ছিলেন, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মনিরুজ্জামান, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল, লৌহজং উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল গণি কালন, লৌহজং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ রশিদ সিকদার প্রমূখ। স্থাণীয় সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি বলেন, আমাদের লোকেরা বারবার ভোট দিয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে পাশ করায়, কোন ঝামেলা না করেই মাওয়া ঘাটের জন্য জায়গা দিয়েছে, আমার লোকদের সুবিধা অসুবিধা কথা মন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রীকে জানাতে চাই।

বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মোঃ শামছুদ্দোহা খন্দকার তার বক্তব্যে বলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রীর সর্বাত্বক সহযোগীতায় এত সল্পসময় ঘাট আজ উদ্বোধন করা সম্ভব হয়েছে। এছারা তার সহযোগীতায় ৫ পাঁচ বার প্রধান মন্ত্রীকে বরিশাল সদর ঘাট সহ ৫ টি বন্দর পরিদর্শন করিয়েছেন।

এ সময় নৌ-মন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু হয়েগেলে এপার আর ওপারের ভেদাভেদ থাকবেনা আমরা সবাই একাকার হয়ে যাব। এ এলাকায় যারা জমি দিয়েছেন, এখনও টাকা বুঝে পাননি আমি বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান ও মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসককে বলব তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। খুব শিগ্রই আমরা এঘাটে ১১টি ড্রেজার সব সময়ের জন্য রাখব।

শেখ হাছিনার আমলে দূণীতি হ্রাস পেয়েছে। শেখ হাছিনা এই সেতুর জন্য কারো কাছে হাত পাতেননি এবং কারো কাছে ভিক্ষার জন্য যাননি। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে। তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে আরও বলে কু কর্ম ছেড়ে শু কর্মে ফিরে আসেন।

বিডিলাইভ

Comments are closed.